
শেষ আপডেট: 18 November 2022 10:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইডির মামলায় সাড়ে তিন মাস জেলে কাটিয়ে সদ্য জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। এই ক'দিনে তাঁর ১০ কেজি ওজন কমেছে (Sanjay Raut lost 10 kg weight in Jail)। জানিয়েছেন শিবসেনার (Shiv Sena) উদ্ধব ঠাকরে গোষ্ঠীর নেতা সঞ্জয় রাউত।
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে আরও জানিয়েছেন, জেলে (Jail) ঢোকার পর প্রথম ১৫ দিন সূর্য দর্শন দূরে থাক, আলো পর্যন্ত চোখে পড়েনি। এমনই এক অন্ধ কুঠুরিতে রাখা হয়েছিল তাঁকে।
নিজেকে 'যুদ্ধ বন্দি' বলেও অভিহিত করেন এই উদ্ধব শিবিরের এই শিবসেনা নেতা।
দেশের বিরোধী শিবিরের বহু নেতার ঘর বাড়ি এখন জেলখানা। জরুরি অবস্থার পর আর কখনও এত রাজনীতিককে জেলে থাকতে হয়নি। ফারাক হল, জরুরি অবস্থার সময় বিরোধী শিবিরের নেতাদের জেলে পোরা হয়েছিল গণতন্ত্র বাঁচানোর লড়াইয়ে নামায়। এখন জেলবন্দি নেতাদের বেশিরভাগের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
বাংলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডলের মতো তৃণমূলের প্রথম সারির নেতারা জেলে রয়েছেন।
জেলে যাওয়ার পর প্রথম পনেরো দিনেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের তিন কেজি ওজন কমেছিল। অনুব্রতর কমেছে নয় কেজি। দু জনেরই ওজন ছিল একশো কেজির বেশি।
জেলে থাকার সময় ওজন কমা নতুন কিছু নয়। রাজনীতিক-অরাজনীতিক সকলেরই এটা হয়। জেল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা, দীর্ঘ কারাবাসে অনেক অসুখবিসুখ শরীরে বাসা বাঁধে ঠিকই। কিন্তু ওজন কমে যাওয়ার কারণ ভিন্ন। এক. জেলে খাবার দেওয়া হয় পরিমিত পরিমাণে। দুই. কারাগারের কড়াকড়ির কারণে খাওয়া, ঘুম রুটিন মেনে চলে। ফলে ওজন কমলেও অনেকের শরীর স্বাস্থ্য গোড়ায় ভাল হয়।
তবে জেল কর্তারা বলেছেন, ওজন বেশি কমে রাজনীতিক সহ সেলিব্রিটি বন্দিদের। কারণ ব্যক্তিগত জীবনে তাদের জীবনযাত্রা অনেক উন্নত মানের। হঠাৎ করে জেলের ভাত খেতে হলে যে কারও ওজন বেশি কমাই স্বাভাবিক।
সঞ্জয় রাউতের বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের পাত্রা চাউল আবাসন প্রকল্প থেকে বেআইনিভাবে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছে ইডি। গত ১ অগাস্ট তাঁকে গ্রেফতার করে তারা।
নিজেকে যুদ্ধ বন্দি আখ্যা দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে সঞ্জয় রাউত বলেন, মহারাষ্ট্রের রাজ্য সরকার এবং দিল্লির বিজেপি সরকার তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। বিজেপির অভিযোগের মান্যতা দিয়ে বিরোধীদের জেলে আটকে রাখা হচ্ছে।
শিবসেনার উদ্ধব গোষ্ঠীর প্রথম সারির নেতা রাউত মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে খুবই পরিচিত মুখ। দলের মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের শরিক তিনি।
রাউতের বক্তব্য, বিজেপি বিরোধী অবস্থানের কারণেই জেলে যেতে হয়েছিল তাঁকে। নির্যাতনও সেই কারণে বেশি ভোগ করতে হয়েছে। বলেন, এমন কুঠুরিতে রাখা হয়েছিল যে সূর্যের আলো প্রবেশ করে না। পনেরো দিন সূর্যের আলো দেখার সুযোগ হয়নি। ফলে দৃষ্টি শক্তির সমস্যা হচ্ছে।
সব হাসপাতালে নিয়মিত হবে ফায়ার অডিট, এসএসকেএমের আগুন থেকে শিক্ষা স্বাস্থ্য দফতরের