
শেষ আপডেট: 14 August 2023 08:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সনিয়া গান্ধীর জন্মদিন হল ডিসেম্বর মাসের ৯ তারিখ। এই ডিসেম্বর মাসে ৭৭ বছর পূর্ণ করে ৭৮-এ পা দেবেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী। অনেকে ধরেই নিয়েছেন, সনিয়া এবার আর উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলী থেকে নির্বাচনে লড়বেন না। পরিবর্তে সেখানে প্রার্থী হতে পারেন উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বে থাকা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সনিয়া গান্ধী।
সঞ্জয় রাউত যে কথাটা খোলাখুলি বলেছেন, তা নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের মধ্যে ঘরোয়া আলোচনা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, বারাণসীতে এবার একের বিরুদ্ধে এক লড়াই হোক। পূর্ব উত্তরপ্রদেশের সঙ্গে নেহরু গান্ধী পরিবারের সম্পর্ক বহুদিনের। প্রয়াগরাজের আনন্দ ভবনে থাকতেন মতিলাল নেহরু। সেই থেকে পূর্ব উত্তরপ্রদেশের মাটিতে মিশে রয়েছে কংগ্রেসের ঐতিহ্য। তাঁদের মতে, বারাণসীতে ভোট ভাগাভাগি রুখে দিতে পারলে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যাবেন নরেন্দ্র মোদী।
কিন্তু এই প্রস্তাব নিয়ে কংগ্রেসের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে। উত্তরপ্রদেশের অমেঠি ও রায়বরেলী আসন দুটি ঐতিহাসিক ভাবে কংগ্রেসের কাছে ছিল। ১৯৮০ সালের লোকসভা ভোটে অমেঠি থেকে জিতেছিলেন সঞ্জয় গান্ধী। পরে ১৯৮৪, ৮৯ এবং ৯১ সালের লোকসভা ভোটে রাজীব গান্ধী অমেঠি থেকে জিতেছিলেন।
রাজীবের মৃত্যুর পর অমেঠির সাংসদ হয়েছিল গান্ধী পরিবারের আস্থাভাজন সতীশ শর্মা। কিন্তু সনিয়া গান্ধী সংসদীয় রাজনীতিতে নামতেই সতীশ অমেঠি আসনটি সনিয়া গান্ধীর জন্য ছেড়ে দেন। পরে রাহুল রাজনীতিতে নামলে অমেঠি রাহুলের জন্য ছেড়ে রায়বেরলী থেকে ভোটে লড়েন সনিয়া গান্ধী।
সেই অমেঠি গত লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের হাতছাড়া হয়েছে। বিজেপির স্মৃতি ইরানির কাছে ৫৫ হাজার ভোটে হেরেছেন রাহুল গান্ধী। আবার রায়বরেলী আসনে সনিয়া ২০০৪ সাল থেকে লাগাতার জিতছেন সনিয়া গান্ধী। কংগ্রেসের অনেকে মনে করছেন, এই দুটো আসনই কংগ্রেসের হাতছাড়া হওয়া ঠিক হবে না। প্রিয়ঙ্কা রায়বেরলীতে প্রার্থী হলেই ভাল।
'বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাতে কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী আমায় বোঝাচ্ছেন', অজিতের সঙ্গে বৈঠকের পর পাওয়ার