
শেষ আপডেট: 28 February 2024 15:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুধু নারী নির্যাতন বা জমি দখলের অভিযোগ নয়। সন্দেশখালি কাণ্ডে সামনে আসছে আরও নানা বিধ অভিযোগ।
সন্দেশখালির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গত ২১ ফেব্রুয়ারি লঞ্চে করে সন্দেশখালি পৌঁছেছিলেন ডিজি রাজীব কুমার। আইনের প্রতি মানুষের আস্থা ফেরাতে সন্দেশখালিতেই রাত কাটান রাজীব। এরপরই রাজ্য পুলিশের তরফে সন্দেশখালি, সরবেড়িয়া সহ একাধিক এলাকায় তৈরি করা হয় পুলিশের অভিযোগ গ্রহণ কেন্দ্র। বুধবার ছিল ক্যাম্পের পঞ্চম দিন।
সূত্রের খবর, এদিন পুলিশের ক্যাম্পে এসে সন্দেশখালির বেশ কিছু মানুষ আমফানের ক্ষতিপূরণ থেকে বার্ধক্য ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনেছেন।
কাঠপোল বাজার এলাকায় পুলিশ ক্যাম্পে নীতিশ আরি নামে এক যুবকের অভিযোগ, আমফানের ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্য টাকা কেড়ে নিয়েছিবেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ সিরাজ এবং অজিত মাইতি। আবার সামশুল মোল্লার অভিযোগ, দাবি মতো টাকা দিতে না পারায় কাঠপোল বাজার এলাকায় থাকা তাঁর টেলারিংয়ের দোকান জোর করে দখল করেছিল সিরাজ। আজও সেই দোকান ফেরৎ পাননি তিনি। বার্ধক্য ভাতার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও এনেছেন কয়েকজন বৃদ্ধা। পুলিশ সূত্রের খবর, প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই উত্তপ্ত সন্দেশখালি। ফেরার তৃণমূল নেতা শেখ শাহাজাহান এবং তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন এবং জমি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সরব গ্রামের একাংশ মহিলা। এরপরই এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে গ্রামে গ্রামে অভিযোগ গ্রহণ কেন্দ্র খোলার সিদ্ধান্ত জানান ডিজি রাজীব কুমার। পুলিশ সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত প্রথম চারদিনে ক্যাম্পে প্রায় ২৫০টির বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। তবে বেশিরভাগই ছিল জমি দখলের অভিযোগ। এবার আমফানের ক্ষতিপূরণ এবং বার্ধক্যভাতার অর্থও আত্মসাতের অভিযোগ জমা পড়ল।