
শেষ আপডেট: 28 March 2024 14:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা নেন রেখা পাত্র। স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধাও নেন। সন্দেশখালির বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে এমনই তথ্য সামনে আনল তৃণমূল। বসিরহাটের বিধায়ক সুকুমার মাহাতর দাবি, রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড ও লক্ষ্মীভাণ্ডারের উপভোক্তাদের তালিকায় রেখা পাত্রের নাম রয়েছে। প্রথম দিন প্রচারে বেরিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে সন্দেশখালির বিজেপি প্রার্থী। তিনি এখন কল্যাণী এইমসে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এবিষয়ে একটি বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে তৃণমূলের দাবি, ২০২১ সালের ২৫ অগস্ট তারিখে দুয়ারের সরকার ক্যাম্প থেকে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের জন্য ফর্ম জমা করেছিলেন রেখা। তখন থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধাও পাচ্ছেন। একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ধর্মখালির শাখায় তাঁর অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সেখানে রাজ্য সরকারের দুটি প্রকল্পের টাকা জমা পড়ে।
Caught red-handed!
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) March 28, 2024
.@BJP4India's MP candidate from Basirhat, Rekha Patra, plays the ultimate game of hypocrisy, enjoying the benefits of Smt. @MamataOfficial's schemes while aligning herself with Delhi's JOMIDARS.
PM @narendramodi, the next time you call her, don't forget to… pic.twitter.com/pUX3jI7kGZ
বসিরহাটের বিধায়ক সুকুমার মাহাত বলেন, " রেখা পাত্র শুনেছি অসুস্থ হয়েছেন। তিনি সন্দেশখালি থেকে বিজেপি প্রার্থী। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর তৈরি করা স্বাস্থ্য সাথী কার্ড রেখা পাত্রের আছে। রেখা পাত্র লক্ষ্মী ভাণ্ডার পান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় তৈরি সমস্ত প্রকল্পের সুবিধাই তিনি পান। যারা এই সুবিধা পেয়ে দিদির বিরোধিতা করেন, তাদের বলব একটু ভেবে দেখুন।সন্দেশখালির মানুষ সবই জানে।"
সন্দেশখালির বিদ্রোহী মুখ হয়ে উঠেছেন রেখা। লোকসভা ভোটে তাঁকে প্রার্থী করায় বিজেপি 'মাস্টার স্ট্রোক' দিয়েছে বলে অনেকে মনে করছে। তাঁর থেকেও বড় ব্যাপার স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তাঁর সঙ্গে দশ মিনিট ফোনে কথা বলেছেন। সেখানে নরেন্দ্র মোদী তাঁকে 'শক্তি স্বরূপা' বলে সম্বোধন করেন। এরপরেই সন্দেশখালি ফিরে প্রচারে নেমেছিলেন রেখা পাত্র। প্রচারের সময়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
যদিও রেখা পাত্রের বিষয়ে এই তথ্য সামনে এলে এখনও বিজেপি দলীয়ভাবে কোনও প্রতিক্রিয়া না দিলেও স্থানীয় এক নেতা বলেন, সরকারি প্রকল্প গ্রহণ করা কোনও অপরাধ নয়, কারণ সরকার প্রকল্পটি করে দলীয় কর্মীদের জন্য নয়, সাধারণ মানুষের জন্য। কেন্দ্রীয় সরকারের নানা ভর্তুকি সুবিধা তৃণমূলের প্রার্থীরাও পাচ্ছেন, তার জন্য বিজেপি বিরোধিতায় তাঁদের কোনও ভাটা পড়েনি।