১০০ কোটি ভ্যাকসিন ডোজের অর্ডার আগেই এসেছে ২০ দেশ থেকে, দাবি রাশিয়ার
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গোটা দুনিয়া যখন করোনাভাইরাসের মোকাবিলা নিয়ে ত্রস্ত তখন প্রথম ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি জানাল রাশিয়া। এদিন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেই সাফল্য ঘোষণা করার পরেই রাশিয়ার দাবি, ইতিমধ্যেই ২০টি দেশ ভ্যাকসিন চেয়ে রেখেছে। আর ত
শেষ আপডেট: 10 August 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গোটা দুনিয়া যখন করোনাভাইরাসের মোকাবিলা নিয়ে ত্রস্ত তখন প্রথম ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দাবি জানাল রাশিয়া। এদিন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেই সাফল্য ঘোষণা করার পরেই রাশিয়ার দাবি, ইতিমধ্যেই ২০টি দেশ ভ্যাকসিন চেয়ে রেখেছে। আর তার পরিমাণ ১ বিলিয়ন মানে ১০০ কোটি ডোজ।
এদিন পুতিনের ঘোষণার পরে পরেই এই ভ্যাকসিনে বিনিয়োগ করা সরকারি সংস্থা রাশিয়ান ডায়রেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের প্রধান কিরিল দমিত্রিয়েভ জানিয়েছেন, গামেলিয়া ইনস্টিটিউটের তৈরি এই ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্বের অনেক দেশই আগ্রহ দেখিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ২০টি দেশ থেকে ১০০ কোটির বেশি ডোজের আবেদন জমা পড়েছে। দমিত্রিয়েভ আরও বলেন, মোট পাঁচটি দেশে এই ভ্যাকসিন তৈরি হবে। আর সব মিলিয়ে বছরে ৫০ কোটি ডোজ উৎপাদন হবে।
আরও পড়ুন
রাশিয়ায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানে করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করছে গ্যামেলিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজি। সংস্থার ডিরেক্টর অলেক্সান্ডার গিন্টসবার্গ বলেছেন, সরাসরি করোনার স্পাইক প্রোটিন ব্যবহার না করে অন্য ভাইরাসের সঙ্গে আরএনএ প্রোটিন মিলিয়ে ভ্যাকসিন ক্যানডিডেট ডিজাইন করা হয়েছে। সর্দি-কাশির জন্য দায়ী যে অ্যাডেনোভাইরাস, তাকেই ভেক্টর হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই অ্যাডেনোভাইরাস মামুলি সর্দি-জ্বর ছড়ায়, প্রাণঘাতী সংক্রমণ ছড়াতে পারে না। অ্যাডেনোভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করে তার মধ্যে করোনার স্পাইক (S) প্রোটিন মিশিয়ে ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে। ভাইরোলজিস্টরা জানিয়েছেন, করোনার যে আরএনএ প্রোটিন স্ক্রিনিং করা হয়েছে তাকে আগে নিষ্ক্রিয় করে নেওয়া হয়েছে বিশেষ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে, যাতে এই ভাইরাল স্ট্রেন শরীরে ঢুকলে প্রতিলিপি তৈরি করে সংখ্যায় না বাড়তে পারে।
তবে রাশিয়ার তৈরি ভ্যাকসিন নিয়ে এখনও নানা মহলে তর্ক-বিতর্ক চলছে। অনেকেই মনে করছেন প্রথম হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমে তাড়াহুড়ো করা হয়েছে। কারণ, ভ্যাকসিনের প্রথম স্তরের ট্রায়ালের পরেই রাশিয়া দাবি করেছে টিকা সার্বিকভাবে প্রয়োগের জন্য তৈরি। যেখানে অক্সফোর্ড, মোডার্না এখনও তৃতীয় স্তরের ট্রায়ালেই রয়েছে।