
শেষ আপডেট: 10 June 2022 10:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্ধারিত সীমার অনেক বেশি গতিতে (Rush Driving) ছুটছিল গাড়িটি। পুলিশ বেশ কয়েকবার হাত দেখিয়ে দাঁড় করানোর চেষ্টা করে। কিন্তু গাড়ি দাঁড়ায়নি। শেষে পুলিশ একটি ক্রসিংয়ে ট্রাফিক সিগন্যাল লাল করে দিয়ে আটক করে গাড়িটি।
গতি সীমা (Rush Driving) লঙ্ঘনের অভিযোগে এক হাজার টাকা জরিমানার স্লিপ ধরাতে গিয়ে পুলিশ কম্পিউটারে দেখে ওই গাড়ির মালিকের নামে আগেই নয় হাজার টাকা জরিমানা বকেয়া রয়েছে। সব মিলিয়ে তাই ১০ হাজার টাকা জরিমানা মেটাতে বলে পুলিশ।
কিন্তু গাড়ি থেকে নেমে এসে এক তরুণী তীব্র বাদানুবাদ শুরু করে পুলিশের সঙ্গে। তাঁর বক্তব্য, জরিমানা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। উল্টে পুলিশকে নানাভাবে হুঁশিয়ারি দিতে থাকে সে।
পুলিশ তাতে কর্ণপাত না করে গাড়ি আটকে রাখে। চলে তীব্র বাদানুবাদ। লোকজন জড়ো হয়। ঘটনাস্থল রাজভবন এবং একটি পাঁচতারা হোটেলের কাছে। খবর পেয়ে ছুটে যায় মিডিয়া। তরুণী বলেই চলেন, জরিমানা দেবেন না কিছুতেই।
পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কির মধ্যে তরুণী একবার বলে ওঠে, জানেন, এ গাড়ি কার? কার গাড়ি আটকেছেন? জানেন আমি কে? তারপর নিজেই প্রশ্নগুলির এক এক করে জবাব দেন।
আরও পড়ুন: ফের শুরু হল ভারত-বাংলাদেশ বাস পরিষেবা, দুই বছর করোনার কারণে বন্ধ ছিল
জানান গাড়ির মালিক মহাদেবপুরার বিধায়ক অরবিন্দ লিম্বাভালি। তরুণী জানায়, তাঁর নাম রেণুকা। সে অরবিন্দ অর্থাৎ ওই বিধায়কের মেয়ে।
কিন্তু পুলিশ তাতে দমে যায়নি। বলে, জরিমানা দিন। গাড়ি নিয়ে যান। বাবার পরিচয়ে কাজ না হওয়ায় তরুণী জানায়, তাঁর কাছে অত টাকা নেই। পুলিশ বলে, টাকা জোগাড় করে নিয়ে আসুন। গাড়ি যত্নেই থাকবে। শেষে তরুণীর এক বন্ধু এসে অনলাইনে টাকা মিটিয়ে গাড়ি ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।
ঘটনাটি বেঙ্গালুরুর। বিধায়ক কন্যার দাপট এবং বেঙ্গালুরু সিটি পুলিশের নতজানু না হওয়ার ঘটনা নিয়ে তুমুল চর্চা চলছে সংবাদমাধ্যমে, সোশ্যাল মিডিয়ায়। নজির গড়েছেন সেই বিজেপি বিধায়কও। সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, গাড়িটি চালাচ্ছিল মেয়ের এক বান্ধবী। তবে মেয়ের আচরণের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।