Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

পুজোর মুখে ভরা কোটালে নদীবাঁধে ধস, জল ঢুকল গোসাবার গ্রামে

পুজোর মুখে ভরা কোটালে নদীবাঁধে ধস, জল ঢুকল গোসাবার গ্রামে

শেষ আপডেট: 17 October 2023 17:43

সুভাষ চন্দ্র দাশ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা

পুজোর মুখে ভরা কোটালে নদীবাঁধ ভাঙল গোসাবা ব্লকে। বাঁধে ধসের কারণে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ছোট মোল্লাখালি পঞ্চায়েতের কালিদাসপুর এলাকায়।

নদীর জল হু হু করে গ্রামের মধ্যে ঢুকে পড়ায় চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ভেরিতে নোনা জল ঢুকে পড়ায় মাথায় হাত পড়েছে মাছ চাষিদের। সোমবার রাতে ভরা কোটালে প্রবল জলোচ্ছ্বাস দেখা যায় সুন্দরবন এলাকার নদীগুলিতে। ঢেউয়ের ধাক্কায় ধসে পড়ে নদীবাঁধ। 

মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, ছোট মোল্লাখালি পঞ্চায়েতের কালিদাসপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে সুন্দরবনের সারসা নদী। এই নদীর উপর তৈরি বাঁধে প্রায় ১০০ ফুটের ধস নামে সোমবার রাতে। নদীতে জোয়ার থাকায় লবনাক্ত জল ঢুকতে শুরু করে গ্রামে। এতে প্রায় ৬০০ বিঘা ধানের জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। পুকুরের মাছও নষ্ট হয়েছে। 

২০০৯ সালে ২৫ মে আয়লার দাপটে সুন্দরবনের প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কিলোমিটার নদীবাঁধের মধ্যে ৭৭৮ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেই নদীবাঁধের বেশিরভাগই প্রাথমিকভাবে মেরামতি হলেও কংক্রিটের বাঁধ নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি এখনও পর্যন্ত। রাজ্য সরকার কেন্দ্রের কাছ থেকে ৫০৩২ কোটি টাকা বরাদ্দ হলেও তারমধ্যে মাত্র ১ হাজার কোটি টাকার মতো খরচ হয়। 

এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ সুন্দরবনের বেশ কিছু এলাকায় কয়েক কিলোমিটার কংক্রিটের নদীবাঁধ তৈরি হলেও বেশিরভাগ এলাকায় এখনও পাকাপোক্ত নদীবাঁধ তৈরি করা হয়নি। আয়লার পর থেকে বাঁধগুলির অবস্থাও নড়বড়ে হয়ে রয়েছে। ফলে পূর্ণিমা বা অমাবস্যার ভরা কোটালে এখনও সুন্দরবনের বিভিন্ন জায়গায় নদীবাঁধ ভাঙছে।


```