Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিষ্কৃতিমৃত্যুর পথ সহজ করল সুপ্রিম কোর্ট, যন্ত্রণা মুক্তির জন্য তৈরি হচ্ছে অঙ্গীকারপত্র

প্রিয়জনের অন্তিম মুহূর্তের কষ্টলাঘব করার সুযোগ দেয় ‘প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া’ বা স্বরচিত ইচ্ছাপত্র অনুসারে ইচ্ছামৃত্যু।

নিষ্কৃতিমৃত্যুর পথ সহজ করল সুপ্রিম কোর্ট, যন্ত্রণা মুক্তির জন্য তৈরি হচ্ছে অঙ্গীকারপত্র

শেষ আপডেট: 27 December 2023 07:42

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জীবনে ফেরার আশা যেখানে নেই বললেই চলে, সেখানে দাঁড়িয়ে প্রিয়জনের অন্তিম মুহূর্তের কষ্টলাঘব করার সুযোগ দেয় ‘প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া’ বা স্বরচিত ইচ্ছাপত্র অনুসারে ইচ্ছামৃত্যু। তবে সেই প্রক্রিয়া এতদিন ছিল চিকিৎসক এবং সরকারি বিশেষজ্ঞের বিবেচনাধীন। সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টিকে আরও সহজ সরল করেছে। আদালত বলেছে, বিষয়টি আর সরকারি অনুমোদন সাপেক্ষ নয়। মূলত হাসপাতালই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে। আর সে জন্য তৈরি হবে এক অঙ্গীকারপত্র।

প্যাসিভ ইউথেনেশিয়ার সিদ্ধান্ত আর সরকারি রিভিউ বোর্ডের বিবেচনাধীন নেই। বদলে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে একজন জেলা মেডিক্যাল অফিসার থাকবেন হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ডে। জেলাশাসককে এ ব্যাপারে জানাতে হবে। অন্তিম পর্যায়ের ক্যানসার, স্ট্রোক, মাল্টি অর্গ্যান ফেলিওরের মতো অসুখে যেখানে বাঁচার সম্ভাবনা আর থাকে না, কিন্তু ভেন্টিলেশন বা অন্য চিকিৎসা ব্যবস্থায় রেখে দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া চলতেই থাকে হাসপাতাল, নার্সিংহোমে। এর থেকে রেহাই পেতে সুপ্রিম কোর্ট সাম্প্রতিক এক রায়ে দেশবাসীকে ভাবনাচিন্তার অবকাশ দিয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সমাজের বিভিন্ন পেশার বিশিষ্টজন তৈরি করেছেন ‘অ্যাডভান্স মেডিক্যাল ডিরেক্টিভ’ নামের এক অঙ্গীকারপত্র।

এই ফর্মে সই করে রোগীর পরিবারের লোকজন জানাতেই পারেন জীবনের অন্তিম পর্যায়ে তাঁকে আর ভেন্টিলেটর বা লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে রাখার দরকার নেই। মৃত্যু নিশ্চিত জানার পর চিকিৎসকদের আর তাঁকে কড়া অ্যান্টিবায়োটিক, আইভি ফ্লুইড, ডায়ালিসিস, কেমোথেরাপি দিতে হবে না। বরং যন্ত্রণা কমানোর ওষুধ বা অস্বস্তি কমানোর চিকিৎসা করলেই হবে।

এই প্যাসিভ ইউথেনেশিয়ার ইচ্ছাপত্র বা অঙ্গীকারপত্র হল সেই অনুমতি পত্র যেখানে রোগী নিজেই তাঁকে কৃত্রিম জীবনদায়ী প্রক্রিয়ায় না রাখার অনুমতি দিয়ে যান। দু’জন সাক্ষীর সইয়ের পাশাপাশি, একজন প্রথমস্তরীয় বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট (জেএমএফসি) এর সই প্রয়োজন এই ইচ্ছাপত্রের জন্য। ১০ পাতার সেই ফর্মে দু’জন সাক্ষী রেখে পুরো প্রক্রিয়াটাই সারতে হবে ফার্স্ট ক্লাস ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে। একজন আইনজীবী, একজন চিকিৎসকের সই আবশ্যিক। ৩১ ধরনের অন্তিম পর্যায়ের অসুখের উল্লেখও থাকবে সেখানে।


```