দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাদক কাণ্ডে জামিন পেলেন অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীর ভাই শৌভিক। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু ও বলিউডে মাদক যোগে রিয়ার সঙ্গেই তার ভাই শৌভিক ও সুশান্তের ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডাকে গ্রেফতার করেছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। গ্রেফতারির তিন মাস পরে শৌভিকের জামিনের আবেদন মঞ্জুর হল মুম্বইয়ের স্পেশাল কোর্টে।
বম্বে হাইকোর্টে রিয়ার জামিন মঞ্জুর হয়েছিল একমাস আগেই। সে সময় রিয়ার ভাই শৌভিকের জামিনের আবেদন নাকচ করেছিল মুম্বইয়ের আদালত। উল্টে তার বিচারবিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ অক্টোবরের শেষ অবধি বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
রিয়ার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের মাধ্যমেই সুশান্তের মৃত্যু তদন্তের মধ্যে মাদক যোগের বিষয়টি সামনে আসে। এই সংক্রান্ত তথ্য ইডির তরফে পাঠানো হয় সিবিআই ও এনসিবি-র কাছে। এর পরে বলিউডে ও মুম্বইয়ের অভিজাত মহলে মাদক যোগের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেন এনসিবি-র গোয়েন্দারা।
মাদক চক্র খুঁজতে গিয়ে জাইদ ভিলাত্রা ও আবদুল বাসিত পরিহারকে নামে দু’জনকে গ্রেফতার করে এনসিবি। পাকড়াও করা হয় মাদক চক্রের আরও এক পাণ্ডা কাইজান ইব্রাহিমকেও। তদন্তকারীরা জানায়, রিয়ার ভাই শৌভিকের সঙ্গে জাইদ ভিলাত্রার যোগাযোগ ছিল। এই জাইদ শৌভিক ও মিরান্ডাকে মাদক সরবরাহ করত বলেও জানা যায়। জেরায় জাইদ বলেছিল পরিহারের মারফৎ শৌভিক ও সুশান্তের ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডার সঙ্গে যোগাযোগ হয় তাদের। দুই মাদক পাচারকারীকে জেরা করেই তদন্তকারীদের মনে হয় অভিনেতার মৃত্যুর সঙ্গে মাদকযোগের একটা সম্পর্ক আছে। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে শৌভিকের সঙ্গে তাদের মেসেজ চালাচালি থেকেও সেই আভাস মেলে।
এই মাদক মামলায় গত মাসে রিয়ার সঙ্গে জামিন দেওয়া হয়েছে সুশান্তের স্যামুয়েল মিরান্ডাকেও। ৫০ হাজার টাকা বন্ডে জামিন পেয়েছে মিরান্ডা। তবে তার পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তবে সুশান্তকে মাদক সরবরাহ করার অভিযোগ রয়েছে যে আবদুল পারিহারের বিরুদ্ধে, তার জামিন এখনও মঞ্জুর করা হয়নি।