
ভাইরাল অডিও ক্লিপ।
শেষ আপডেট: 29 August 2024 16:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কিছু একটা লুকানোর চেষ্টা হচ্ছে। ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালে দাঁড়িয়েই বলেছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। পরে একাধিকবার তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, "কাকে আড়াল করা হচ্ছে? কেন, পুলিশি তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই হাসপাতালের তরফে বলা হয়েছিল মেয়ে সুইসাইড করেছে?"
এবার প্রকাশ্যে আরজি করের সেদিনের সকালের অডিও। ভাইরাল অডিও ক্লিপে হাসপাতালের সঙ্গে নির্যাতিতার বাড়ির লোকের কথোপকথন সামনে উঠে এসেছে। যদিও এই ভাইরাল অডিও ক্লিপের সত্যতা দ্য ওয়াল যাচাই করেনি। তবে ভাইরাল অডিও ক্লিপকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্নের মুখে আরজি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর ভূমিকা।
ভাইরাল অডিও ক্লিপ শোনা যাচ্ছে, নির্যাতিতার পরিবারকে হাসপাতালের এক মহিলা কন্ঠ বলছেন, ‘‘ওঁর অবস্থা খুবই খারাপ। উনি সুইসাইড করেছেন হয়তো বা মারা গিয়েছেন।’’ ওই মহিলা কণ্ঠ নিজেকে ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার’ হিসেবেও পরিচয় দিয়েছেন।
ঘটনার কয়েকদিন পর এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর ভূমিকা নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। বলেছিলেন, "কাউকে আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে।" প্রশ্ন তুলেছিলেন, "তা না হলে খুনের ঘটনাকে কেন আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা হবে?"
প্রসঙ্গত, ৯ অগস্ট থেকে ২৯ অগস্ট। ২১ দিন অতিক্রান্ত। আরজি করে মেয়েকে নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তির আর্জি জানাচ্ছেন নির্যাতিতার বাবা-মা। সহকর্মীর বিচার চেয়ে আন্দোলনে ডাক্তারি পড়ুয়ারাও। আদালতে নির্দেশে তদন্তে নেমেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু ঘটনায় কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায় ছাড়া নতুন করে কোনও গ্রেফতারি হয়নি। এখানেই তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন নির্যাতিতার বাবা-মা।
এদিনও সংবাদমাধ্যমকেও তাঁরা বলেছেন নিজেদের আশঙ্কার কথা, "বোধহয়, সব প্রমাণ লোপাট করে দেওয়া হয়েছে।" ঘটনার পরই কেন ক্রাইম সিন সুরক্ষিত রাখা হয়নি, তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেরও তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ছিল পুলিশ। এবার সামনে এল সেই অডিও ক্লিপ।