
শেষ আপডেট: 22 August 2024 12:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করের শিক্ষার্থী পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ দায়ের করা থেকে শুরু করে ময়নাতদন্ত—সব নিয়ে কার্যত তুলোধনা করল সুপ্রিম কোর্ট। এমনই প্রশ্নবাণে জর্জরিত করে দিল যে উত্তর দিতে গিয়ে থতমত হয়ে গেলেন রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিবাল।
এদিন শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, “মিস্টার সিবাল, সবচেয়ে উদ্বেগের হল, ঘটনার জিডি এন্ট্রি হয়েছে ৯ অগস্ট সকাল ১০টা বেজে ১০ মিনিটে। আর ক্রাইম সিনকে সুরক্ষিত করা হয়েছে রাত সাড়ে ১১টার পর! এতক্ষণ ধরে কী চলছিল?”
প্রধান বিচারপতি এই উদ্বেগ প্রকাশের পরই সিবালকে উপর্যুপরি প্রশ্ন করেন বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা। এদিন সিবিআই ও রাজ্য সরকার দুজনেই আরজি কর কাণ্ড নিয়ে স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশ করেছে সুপ্রিম কোর্টে। সেই রিপোর্ট হাতে নিয়েই প্রশ্ন করতে থাকেন বিচারপতি পারদিওয়ালা। তিনি সিবালের উদ্দেশে বলেন, “ময়না তদন্ত কখন হয়েছে?”
জবাবে কপিল সিবাল বলেন, ময়না তদন্ত হয়েছে সন্ধে ৬টা থেকে ৭টা নাগাদ। তা শুনেই বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা বলেন, “ময়নাতদন্ত হয়েছে সন্ধে ৬টার সময়ে আর অস্বাভাবিক মৃত্যুর এফআইআর দায়ের হয়েছে রাত সাড়ে ১১টায়! আপনার রাজ্য যা করেছে, আমার ৩০ বছরের কর্মজীবনে এমনটা আমি কখনও দেখিনি! এফআইআর দায়ের করার আগেই ময়না তদন্ত হয়ে গেল!”
বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এর পরই প্রশ্ন করেন, ‘পঞ্চনামা কখন লেখা হয়?’ জবাবে সিবাল বলেন, ‘বিকেল ৪টে ২০ থেকে ৪ টে ৪০ মিনিটে’। তা শুনে বিচারপতি বলেন, আমাদের হাতে যে রিপোর্ট রয়েছে তাতে পরিষ্কার যে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে পঞ্চনামা ও ময়না তদন্তের পর।
৯ অগস্ট চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ পাওয়া থেকে শুরু করে তাঁর মরদেহের সৎকার পর্যন্ত টাইমলাইন নিয়ে এদিন শুনানির সময়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। বিচারপতি পারদিওয়ালা বলেন, পর দিন শুনানির সময়ে একজন দায়িত্বশীল পুলিশ অফিসারকে নিয়ে আসবেন, যিনি সবটা বুঝিয়ে বলতে পারবেন।