দলীয় সূত্রের খবর, জলপাইগুড়ির ২৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে গত লোকসভা নির্বাচনে মাত্র একটি ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল তৃণমূল এবং সেটি এই সৈকতবাবুর ওয়ার্ড।
.jpeg.webp)
সৈকত চট্টোপাধ্যায়।
শেষ আপডেট: 6 November 2025 21:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২১ শে জুলাই এর মঞ্চ থেকে তৃনমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন লোকসভা নির্বাচনে যেইসব পুরসভায় দল বিজেপির তুলনায় পিছিয়ে আছে সেইসব চেয়ারম্যান/ ভাইস চেয়ারম্যানদের বদল করা হবে। যাদের পারফরম্যান্স ভাল নেই তাদের সরিয়ে নতুনদের সুযোগ দেওয়া হবে। সম্প্রতি দ্য ওয়ালে এই সংক্রান্ত প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছিল।
হাওড়ার পর এবার পূর্ব বর্ধমানের চারটি এবং জলপাইগুড়ি জেলার ৩টি পুরসভায় রদবদল করল শাসকদল। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম জলপাইগুড়ির তৃণমূল কাউন্সিলর তথা ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। কারণ, অনেক চেয়ারম্যান যেখানে পদ খোয়ালেন সেখানে পদোন্নতি হয়েছে সৈকতবাবুর। এতদিন জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন পাপিয়া পাল। এবার সেই জায়গায় এলেন সৈকতবাবু আর ভাইস চেয়ারম্যান হলেন সন্দীপ মাহাত।
কে এই সৈকত চট্টোপাধ্যায়? দলীয় সূত্রের খবর, কলেজ জীবন থেকেই কংগ্রেসি ঘরানার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত তিনি। এমনকী বাম জমানার শেষ লগ্নে উত্তরবঙ্গে শিক্ষা দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন। দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর।
পদোন্নতির কারণ কী? দলীয় সূত্রের খবর, জলপাইগুড়ির ২৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে গত লোকসভা নির্বাচনে মাত্র একটি ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল তৃণমূল এবং সেটি এই সৈকতবাবুর ওয়ার্ড। সৈকতবাবু একসময় যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি ছিলেন। রাজনীতির পাশাপাশি একাধিক সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত তিনি।
সম্প্রতি শহরের বিভিন্ন ক্লাবকে নিয়ে মাদকবিরোধী মঞ্চ তৈরি করেছেন। যে কারণে শহরবাসীর মধ্যে তাঁর আলাদা করে গ্রহণ যোগ্যতা রয়েছে। যে কারণে সবদিক বিচার করে ছাব্বিশের ভোটের আগে নেতৃত্ব সৈকতবাবুর হাতেই জলপাইগুড়ির ভার সঁপলেন বলে মনে করা হচ্ছে।
একইভাবে মালবাজারে চেয়ারম্যান করা হল উৎপল ভাদুড়ি ও ভাইস চেয়ারম্যান করা হল মিলন ছেত্রীকে। ময়নাগুড়ির চেয়ারম্যান করা হয়েছে মনোজ রায় এবং ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়েছে সোমেশ সান্যালকে।
দলীয় সূত্রের খবর, ধারাবাহিকভাবে রাজ্যের একাধিক পুরসভায় এই বদল চলবে। উদ্দেশ্য একটাই, মানুষকে আরও ভাল পুর পরিষেবা দেওয়া।