
শেষ আপডেট: 4 July 2020 18:30
কীভাবে কাজ করবে হ্যান্ডিফিউজ?
মনু বলেছেন, খুব দ্রুত ও নির্ভুল করোনা পরীক্ষার জন্য ল্যাম্প অ্যাসে (LAMP Assay) পদ্ধতিতে নমুনার ডায়াগনসিস করা হবে। ল্যাম্প হল ‘লুপ-মেডিয়েটেড আইসোথার্মাল অ্যাম্পলিফিকেশন’ । এটি হল সিঙ্গল-টিউব পদ্ধতি যেখানে ডিএনএ অ্যাম্পলিফাই করা হয়। আরটি-পিসিআর (রিভার্স ট্রান্সক্রিপটেজ পরিমারেজ চেন রিঅ্যাকশন)-এর থেকে এই পদ্ধতি কিছুটা আলাদা।
মনু প্রকাশ বলছেন, এই ল্যাম্প অ্যাম্পলিফিকেশন পদ্ধতিতে ভাইরাল স্ট্রেনকে আলাদা করা হয় একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ৬০-৬৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে। ভাইরাল স্ট্রেনকে চিহ্নিত করার জন্য লাগে দুই থেকে তিন সেট প্রাইমার ও পলিমারেজ। সাধারণত চার ধরনের প্রাইমার ব্যবহার করা হয় ভাইরাল জিনোমের নির্দিষ্ট অংশগুলোকে চিহ্নিত করার জন্য। এই প্রক্রিয়া যে পরিমাণ ভাইরাল স্ট্রেন চিহ্নিত করা যায় তা আরটি-পিসিআরের থেকে অনেক বেশি।
বিজ্ঞানী বলছেন, প্রতি মিনিটে প্রায় ২০০০ বার ঘোরানো হবে নমুনা ভরা টিউবগুলিকে। এই ঘূর্ণির ফলেই আলাদা হবে ভাইরাল স্ট্রেন। বিশেষ প্রাইমার চিহ্নিত করবে ভাইরাল স্ট্রেনের নির্দিষ্ট অংশগুলোকে।
স্ট্যানফোর্ডে মনু প্রকাশের ল্যাবরেটরিতে এই সেন্ট্রিফিউজের প্রোটোটাইপ এবং ডায়াগনস্টিক প্রোটোকল বানিয়েছেন আরও দুই বিজ্ঞানী ব্রায়ান র্যাব এবং কন্সট্যান্স সেপকো। এই গবেষণায় মনু প্রকাশের টিমের সহায়তা করেছে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, নমুনা যে টিউবে রাখা হচ্ছে যেখানে বিশেষ এক ধরনের রাসায়নিক থাকে যেটা অ্যাম্পলিফিকেশনে সাহায্য করে। রোগীর নমুনা পরীক্ষার আগে বহুবার কৃত্রিমভাবে তৈরি আরএনএ স্ট্রেনের পরীক্ষা করে দেখে নেওয়া হয়েছে। প্রতি মাইক্রোলিটার তরল থেকে প্রায় ১০০ কপি ভাইরাল স্ট্রেন আলাদা করতে পারে এই ডিভাইস।