
দামোদর ব্যারেজ থেকে সেচের জল ছাড়া শুরু হল। নিজস্ব চিত্র।
শেষ আপডেট: 27 July 2024 13:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণবঙ্গে এবারে বৃষ্টির ঘাটতির পূর্বাভাস আগেই জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। পরিসংখ্যান অনুযায়ী জুলাইয়ের শেষেও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতির পরিমাণ ৪৪ শতাংশ। যা এবারে পূরণ হওয়ার সম্ভবনা কম। হাওয়া অফিসের দাবি, অন্যান্যবারের মতো এবারে টানা বৃষ্টি বা ভারী বৃষ্টির সম্ভবনা এখনও নেই।
এদিকে বৃষ্টির অভাবে বিঘার পর বিঘা জমিতে চাষ হয়নি। জলের অভাবে মাটিতে ধরেছে চিড়। দামোদর সেচ ক্যানেল থেকে জলছাড়ার দাবি জানাচ্ছিলেন চাষিরা। অবশেষে চাষিদের সেই দাবি মেনে শনিবার থেকে দামোদরের জল ছাড়ার কাজ শুরু করল সেচ দফতর।
সেচ দফতরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয় মজুমদার জানান, শনিবার থেকে দামোদর সেচ ক্যানেল থেকে জল ছাড়া শুরু হল। প্রাথমিক পর্যায়ে ১ লক্ষ ৩০ হাজার একর ফিট জল ছাড়া হবে। টানা ১২ থেকে ১৫ দিন এই জল ছাড়ার প্রক্রিয়া চলবে।
তিনি আরও জানান, যেহেতু এবারে বৃষ্টির পরিমাণ কম তাই চাষের স্বার্থে অক্টোবর পর্যন্ত দফায় দফায় জল ছাড়া হবে। জানা যাচ্ছে মাইথন ও পাঞ্চেত ব্যারেজের জল দামোদর থেকে ছাড়া হল। এখানে সেচ দফতরের দুটি সেচখাল রয়েছে। জল ছাড়ার ফলে বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া ও বাঁকুড়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার চাষিরা উপকৃত হবেন।
চাষিদের কথায়, অন্যান্যবারে এতদিনে আমন ধানের বীজতলা রোয়া হয়ে যায়। এবারে জলের অভাবে সেই কাজই শুরু করা যায়নি। কারণ, মেঘের দেখা মিললেও সেই অর্থে বৃষ্টি হয়নি। চাষ করার মতো পরিস্থিতিই ছিল না।