Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

দামোদর সেচ ক্যানেল থেকে শুরু হল জল ছাড়া, হাসি ফুটল চাষিদের মুখে

পরিসংখ্যান অনুযায়ী জুলাইয়ের শেষেও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতির পরিমাণ ৪৪ শতাংশ।

 দামোদর সেচ ক্যানেল থেকে শুরু হল জল ছাড়া, হাসি ফুটল চাষিদের মুখে

দামোদর ব্যারেজ থেকে সেচের জল ছাড়া শুরু হল। নিজস্ব চিত্র।

শেষ আপডেট: 27 July 2024 13:56

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণবঙ্গে এবারে বৃষ্টির ঘাটতির পূর্বাভাস আগেই জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। পরিসংখ্যান অনুযায়ী জুলাইয়ের শেষেও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতির পরিমাণ ৪৪ শতাংশ। যা এবারে পূরণ হওয়ার সম্ভবনা কম। হাওয়া অফিসের দাবি, অন্যান্যবারের মতো এবারে টানা বৃষ্টি বা ভারী বৃষ্টির সম্ভবনা এখনও নেই।

এদিকে বৃষ্টির অভাবে বিঘার পর বিঘা জমিতে চাষ হয়নি। জলের অভাবে মাটিতে ধরেছে চিড়। দামোদর সেচ ক্যানেল থেকে জলছাড়ার দাবি জানাচ্ছিলেন চাষিরা। অবশেষে চাষিদের সেই দাবি মেনে শনিবার থেকে দামোদরের জল ছাড়ার কাজ শুরু করল সেচ দফতর।

সেচ দফতরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয় মজুমদার জানান, শনিবার থেকে দামোদর সেচ ক্যানেল থেকে জল ছাড়া শুরু হল। প্রাথমিক পর্যায়ে ১ লক্ষ ৩০ হাজার একর ফিট জল ছাড়া হবে। টানা ১২ থেকে ১৫ দিন এই জল ছাড়ার প্রক্রিয়া চলবে। 

তিনি আরও জানান, যেহেতু এবারে বৃষ্টির পরিমাণ কম তাই চাষের স্বার্থে অক্টোবর পর্যন্ত দফায় দফায় জল ছাড়া হবে। জানা যাচ্ছে মাইথন ও পাঞ্চেত ব্যারেজের জল দামোদর থেকে ছাড়া হল। এখানে সেচ দফতরের দুটি সেচখাল রয়েছে। জল ছাড়ার ফলে বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া ও বাঁকুড়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার চাষিরা উপকৃত হবেন।

চাষিদের কথায়, অন্যান্যবারে এতদিনে আমন ধানের বীজতলা রোয়া হয়ে যায়। এবারে জলের অভাবে সেই কাজই শুরু করা যায়নি। কারণ, মেঘের দেখা মিললেও সেই অর্থে বৃষ্টি হয়নি। চাষ করার মতো পরিস্থিতিই ছিল না। 


```