
ক্ষুব্ধ আত্মীয়রা
শেষ আপডেট: 1 April 2025 12:19
প্রীতি সাহা ও রণদীপ দে, পাথরপ্রতিমা
সোমবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ আচমকা বিকট শব্দ শোনা যায় পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাট (Patharpratima News) থানার রায়পুরের তৃতীয় ঘেরি এলাকায়। অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ গিয়েছে (Patharpratima Blast) বণিক পরিবারের আট সদস্যের। যাঁদের মধ্যে রয়েছে দুই সদ্যোজাত-সহ চার শিশুও। এই ঘটনায় তুমুল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।
তৃতীয় ঘেরি এলাকায় বণিক বাড়ির আশেপাশে তাঁদের বৃহত্তর পরিবারের বাস। চন্দ্রকান্ত ও তুষারের খুড়তুতো-জ্যাঠতুতো ভাইদের পরিবারের দাবি, বহুবার তাঁরা দুই ভাইকে এই বাজির ব্যবসা বন্ধ করতে বলেন। কারণ পাশেই বাজির কারখানা চলায় সবসময় আতঙ্কে থাকতে হত। কিন্তু কারও কথা কানে তোলেনি চন্দ্রকান্ত ও তুষার। এই নিয়ে নিত্যই আত্মীয়দের সঙ্গে লেগে থাকত ঝগড়া-অশান্তি।
তুষার ও চন্দ্রকান্তের খুড়তুতো ভাই অরিন্দম বণিক জানান, বাড়ির পাশেই জ্যাঠতুতো দাদারা বাজি তৈরি করায় সবসময় নিরাপত্তার অভাব বোধ করতেন তারা। এই কারণে বহুবার বারণ করা হয়। কিন্তু কারও কথায় তাঁরা কান দেয়নি। তিনি বলেন, "আমরা বারণ করায় দাদারা বলত আমরা করে খাচ্ছি, তোদের সহ্য হচ্ছে না। কিছুদিন ধরেই ওদের ব্যবসা ফুলেফেঁপে উঠেছিল। বাড়ির মধ্যেই প্রচুর বাজি মজুত করে রাখছিল। বারণ করায় মারতে এসেছিল আমাদের। তাই আমরা আর কিছু বলতাম না।"
তুষার ও চন্দ্রকান্তের বৌদি মঙ্গলা বণিক জানান, এই বাজি কারখানা বন্ধ করে অন্য ব্যবসা করতে বলায় একবার তুমুল অশান্তি হয়েছিল। মারতে এসেছিল তাঁদের। তারপর থেকে ভয়ে থাকলেও আর কিছু বলতেন না তাঁরা। তবে এমন পরিস্থিতি যে ঘটতে পারে সেই আশঙ্কা তাঁদের ছিলই। তাই ভয় পেতেন।