.jpeg)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 31 December 2024 16:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার চার্জ গঠনের প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিমকোর্ট। কিন্তু মামলার অন্যতম অভিযুক্ত কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ায় সোমবার ৩০ ডিসেম্বরও চার্জ গঠনের প্রক্রিয়া শেষ হয়নি।
২ জানুয়ারি শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছে আদালত। ওই দিন কি চার্জগঠন হবে? বছরের শেষ দিনেও এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে চাকরিপ্রার্থীদের অনেকের মনে। তাঁদের কথায়, 'বছরের পর বছর আমরা রাস্তায় বসে রয়েছি। অথচ আজও বিচার শেষ হল না।'
এব্যাপারে অফিসিয়ালি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির কোনও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। তবে ইডি সূত্রের খবর, যেহেতু মামলার যাবতীয় রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে এবং সুজয়কৃষ্ণ বাদে বাকি অভিযুক্তরা আগের দিনও আদালতে উপস্থিত ছিলেন, সেই হিসেবে সুজয়কৃ্ষ্ণর আইনজীবী নতুন করে কোনও পিটিশন দাখিল না করলে চার্জগঠনে বিশেষ সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
সোমবার জেল থেকে আদালতে আসার পথে আচমকা জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন কালীঘাটের কাকু। তড়িঘড়ি তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। পরে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষেব কাকুকে আলিপুরের বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতাল সূত্রের খবর, কাকুর শারীরিক অবস্থার বিশেষ উন্নতি হয়নি। ভেন্টিলেশনেই রাখা হয়েছে কাকুকে। সেক্ষেত্রে ২ তারিখের মধ্যে সুস্থ হয়ে তাঁর পক্ষে আদালতে হাজিরা দেওয়া কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে চিকিৎসকদের মধ্যেই।
আদালত সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের উপস্থিতিতেই চার্জগঠনের প্রক্রিয়া হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে যেহেতু বারে বারে চার্জগঠনের প্রক্রিয়া পিছিয়েছে এবং সুপ্রিমকোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমাও অতিক্রান্ত হচ্ছে, তাই এক্ষেত্রে চাইলে বিচারক বাড়তি পদক্ষেপ করতে পারেন।
নিয়োগ মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ মোট অভিযুক্তর সংখ্যা ৫৪ জন। এদের মধ্যে মানিক ভট্টাচার্য, কুন্তল ঘোষ-সহ ৯ জন ইডির মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে আগেই আদালতে আবেদন জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে ওই আবেদনের শুনানিও হয়েছে। তবে রায়দান স্থগিত রয়েছে। ২ জানুয়ারি এ ব্যাপারেও আদালত সিদ্ধান্ত জানাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।