
নিয়োগ দুর্নীতি মামলা।
শেষ আপডেট: 24 April 2024 18:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বরের ফরেন্সিক রিপোর্ট আদালতে জমা দিল ইডি। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে ওই রিপোর্ট জমা দেয় কেন্দ্রীয় এজেন্সি।
আদালত সূত্রের খবর, ইডির জমা দেওয়া রিপোর্টে বিচারপতি তো সন্তুষ্ট হননি উল্টে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জমা দেওয়া এই রিপোর্টকে 'সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট' বলে কটাক্ষ করে বিচারপতি বলেন, "গুরুত্বপূর্ণ মামলায় এত সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট কেন?"
আগামী ১২ জুন এ ব্যাপারে ইডি এবং সিবিআইয়ের কাছে ফের রিপোর্ট তলব করেছেন বিচারপতি।
আদালত সূত্রের খবর, এদিন এজলাসে পাঁচপাতার রিপোর্ট জমা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার মধ্যে তিন পাতা সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বর সংক্রান্ত। বাকি ২ পাতা নিয়োগ মামলায় এখনও পর্যন্ত কী কী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, সেই সংক্রান্ত তথ্য।
যা দেখে যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিচারপতি ইডির আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, "অসম্পূর্ণ রিপোর্ট। চাকরি বিক্রির টাকা কোথায় গেল? সেই টাকা আপনারা কি খুঁজে পেয়েছেন? পেয়ে থাকলে সেই তথ্য কোথায়?"
ইডির উদ্দেশে বিচারপতিকে বলতে শোনা যায়, "কোনও কম্প্রোমাইজের জায়গা নেই । আপনার কি সোর্সটা খুঁজে পেয়েছেন?"
তদন্তের দীর্ঘসূত্রিতা নিয়েও এদিন প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি সিনহা। কেন্দ্রীয় এজেন্সির উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, "একবার বলছেন, কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষার জন্য দেরি হচ্ছে তদন্তে। এখন বলছেন মানিক ভট্টাচার্যের প্রোটেকশন আছে, তাই তদন্তে দেরি হচ্ছে! কবে হবে তদন্ত শেষ?"
ইডি আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী বলেন, "এটা বড় দুর্নীতি, তাই প্রতিদিন নতুন নতুন তথ্য আসছে। এটা সময়সাপেক্ষ তদন্ত।" বিচারপতি এই সময় মনে করিয়ে দেন, "এটাই আপনাদের কাজ। আমি কাজ দেখতে চাই।"
এরপরই ১২ জুন কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ফের রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।