
শেষ আপডেট: 4 September 2024 14:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করের শিক্ষার্থী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার বিচার চেয়ে বুধবার ফের রাত দখলের ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তা নিয়ে ইতিমধ্যে সমাজ মাধ্যমে সাড়া পড়ে গেছে। কলকাতার চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের একটা বড় অংশ বুধ-রাতে পথে নামার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। তাতে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে সাধারণ মানুষের যোগদানের সম্ভাবনাও কমবেশি রয়েছে। এরই মধ্যে উন্মাদনা ও উদ্যমকে যেন আরও অক্সিজেন যোগাতে চাইলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়।
দু’দিন আগে আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হওয়ার পর পরই এক্স হ্যান্ডেলে সুখেন্দুশেখর লিখেছিলেন, মিডল স্টাম্প উপড়ে গেল। এর পর কী।
বুধবার আবার সুখেন্দুশেখর লিখেছেন, “রাত দখল করো—মানুষের মৌলিক অধিকারও পুনরুদ্ধার করো যাতে সংবিধানের ২১ নম্বর ধারা মোতাবেক মানুষ মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকতে পারে”।
আরজি কর কাণ্ডে সুখেন্দুবাবু যেভাবে প্রতিবাদী হয়ে উঠেছেন, তা শাসক দলকে যারপরনাই অস্বস্তিতে ফেলছে। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করার জন্য সুখেন্দুবাবুকে একবার লালবাজারে তলবও করা হয়েছিল। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। তবে শাসক দলের এই রাজ্যসভা সাংসদ লাগাতার বলে যাচ্ছেন, তিনি কাউকেই ভয় পান না। যতক্ষণ শরীরে প্রাণ রয়েছে, এই পাশবিক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে যাবেন।
বুধবার এ ব্যাপারে তৃণমূলের এক রাজ্য নেতা বলেন, সুখেন্দুশেখর যেভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তাতে দলের আপত্তি নেই। তবে বোঝা যাচ্ছে তিনি সরকার ও দলের বিড়ম্বনা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। কারণ, আরজি করে যে ঘটনা ঘটেছে তা তৃণমূলেরও কেউ সমর্থন করে না। দল ও সরকার চায় অপরাধীর কঠোরতম সাজা হোক। দ্রুত বিচার হোক। কিন্তু সুখেন্দুবাবু যে ভাবে বিদ্রোহী হয়ে উঠেছেন, তাতে ভাল হত যদি তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি এই বিপ্লব দেখাতেন।
সুখেন্দুবাবু অবশ্য বাইরে এখন আর কিছু বলছেন না। শুধু মাঝে মধ্যে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করছেন। যেমনটা করেছেন বুধবার।