
শেষ আপডেট: 10 April 2023 18:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একেই বলে হয়তো নাটক। কলকাতা ও গুজরাত ম্যাচের থেকেও বড় অনিশ্চয়তার তৈরি হয়েছিল বেঙ্গালুরু ও লখনউ ম্যাচে। হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচের ফল নির্ণয় হল একেবারে শেষ বলে। আইপিএলে ইতিহাসে এমন ম্যাচ খুবই কম রয়েছে। টানটান ম্যাচে বিরাট কোহলিদের ১ উইকেটে হারিয়ে দিল লখনউ।
নিকোলাস পুরান (Nicholas Pooran), ক্যারিবিয়ান এই তারকার ব্যাটিং তাণ্ডব দেখল বেঙ্গালুরু চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের দর্শকরা। আরসিবির বিরুদ্ধে মাত্র ১৫ বলে অর্ধশতরান করেন লখনউ সুপার জায়েন্টসের এই উইকেটরক্ষক (RCB vs LSG)। শেষ পর্যন্ত ক্রিজে টিকে না থাকতে পারলেও ম্যাচ জেতানোর কারিগর তিনিই।
টস জিতে বেঙ্গালুরুকে প্রথম ব্যাট করতে পাঠায় লখনউ। ঘরের মাঠে শুরু থেকেই বিধ্বংসী ব্যাটিং করেন বিরাট কোহলি ও অধিয়ানায়ক ফাফ ডু'প্লেসি। বিরাটের ৬১ রানের ইনিংসে রয়েছে চারটি বাউন্ডারি ও চারটি ছয়। বিরাট আউট হতেই ফাফ ডু প্লেসি (৭৯) ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৫৯) মিলে দলের রানকে নিয়ে গিয়েছেন ২১২ রানে।
সেই রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে বেঙ্গালুরুর বোলিং দাপটের সামনে দিশেহারা হয়ে পড়েন লখনউর ব্যাটাররা। টপ অর্ডার পুরোপুরি ব্যর্থ। কিন্তু ম্যাচে হাল ধরেন মার্কুস স্টোনিস ও নিকোলাস পুরান। এদিনের ম্যাচে স্টোনিসের ৩০ বলে ৬৫ রানের ইনিংস শেষ হওয়ার পরই শুরু হয় পুরানের তাণ্ডব।
বেঙ্গালুরুর বোলারদের নাস্তানাবুদ করে ছাড়েন তিনি। একের পর এক বল পাঠিয়েছেন বাউন্ডারির বাইরে। মাত্র ১৯ বলে ৬২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে যখন তিনি আউট হন, তখন ম্যাচের অবস্থা দেখে মনেই হয়েছিল লখনউ সহজেই ম্যাচ জিতে যাবে।
পুরান আউট হওয়ার পর পুরান ম্যাচ টেনে নিয়ে যান আয়ুশ বাদোনি। যদিও তিনিও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতিয়ে আসতে পারেননি। শেষ ওভারে লখনউ জেতার জন্য প্রয়োজন ছিল ৫ রান হাতে তিন উইকেট। সেখান থেকে শেষ বলে ম্যাচ জেতেন কেএল রাহুলরা। সেই সঙ্গে আইপিএলের ইতিহাসে লেখা হয়ে থাকল এই ম্যাচটি।
রায়নাই যেন ফিরলেন রিঙ্কুর হাত ধরে, ভারতীয় দলে সুযোগের অপেক্ষায় ‘নাইট কিং’