দ্য ওয়াল ব্যুরো : অতিমহামারীর পরে আসছে অর্থনৈতিক মন্দা। বিশ্ব ব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে আইএমএফ পর্যন্ত সকলেই এ ব্যাপারে একমত। ভারতে সেই মন্দার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সকলেই ভরসা করছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ওপরে। আপাতত কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার কমিয়েছে ৭৫ বেসিস পয়েন্ট। বাজারে ঢুকিয়েছে ৫ হাজার কোটি ডলারের লিকুইডিটি। কিন্তু অর্থনীতিবদরা বলছেন, করোনার ধাক্কা সামলাতে আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও কয়েকটি বড় পদক্ষেপ নিতে হবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে।
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস গত সপ্তাহেই বলেন, তিনি মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা করছেন। গত বছরের শেষে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ছিল সাত শতাংশের বেশি। আগামী মাসে তিনি মুদ্রাস্ফীতিকে চার শতাংশের নীচে বেঁধে রাখতে চান। সেজন্য তিনি সম্ভবত রেপো রেট আরও কমাবেন। সিঙ্গাপুরের নমুরা হোল্ডিং ইনকর্পোরেটেডের চিফ ইকনমিস্ট সোনাল বর্মা বলেন, "২০২০ সালে আমরা আশা করব, রেপো রেট আরও ৭৫ বেসিস পয়েন্ট কমানো হবে।"
বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলির বাজেট ঘাটতির পরিমাণ জিডিপি-র ছয় শতাংশ। আগামী দিনে তার পরিমাণ বেড়ে ১০ শতাংশে পৌঁছতে পারে। কারণ লকডাউনে সরকারের রাজস্ব আদায় কমেছে। এই অবস্থায় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলিকে ঋণ নিতে হবে। এক্ষেত্রে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সরকারকে সাহায্য করতে পারে। তারা সরকারের বন্ড কিনবে। এছাড়া বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংস্থার ঋণশোধের মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।