দ্য ওয়াল ব্যুরো : শনিবার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ঋণদাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে তাঁরা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। বিভিন্ন ব্যাঙ্কের প্রশংসা করে শক্তিকান্ত দাস বলেন, লকডাউনের সময়েও তারা স্বাভাবিক বা প্রায় স্বাভাবিকভাবে কাজকর্ম চালিয়ে গিয়েছে।
অর্থনীতির নানা ক্ষেত্রে আগামী দিনে কীভাবে ঋণ দেওয়া যাবে, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। বিশেষত বিভিন্ন নন ব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানি, মাইক্রোফিনান্স ইনস্টিটিউশন, হাউসিং ফিনান্স কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডকে ঋণ দেওয়া নিয়ে আলোচনা হয়। লকডাউন উঠে গেলে মাঝারি ও ছোট শিল্পকে কীভাবে ঋণ দেওয়া হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। কীভাবে আর্থিক ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা আনা যাবে, যাঁরা ঋণ দিয়েছেন, তাঁদের কিস্তি জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে তিন মাস ছাড় দেওয়া যাবে কিনা, তা নিয়েও আলোচনা হয়।
কিছুদিন আগে মিউচুয়াল ফান্ডগুলির সুবিধার জন্য বাজারে ৫০ হাজার কোটি টাকার যোগান বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের মতে, করোনাভাইরাস অতিমহামারীর ফলে পুঁজির বাজারে সৃষ্টি হয়েছে অস্থিতিশীলতা। তার ফলেই কাঁচা টাকার অভাবে ভুগছে মিউচুয়াল ফান্ডগুলি।
এর মধ্যে কয়েকটি মিউচুয়াল ফান্ড বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে কাঁচা টাকার যোগান আরও কমেছে। এর ফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে অন্যান্য মিউচুয়াল ফান্ড। তবে আরবিআইয়ের বক্তব্য, এখনও পর্যন্ত কেবল হাই রিস্ক ডেট মিউচুয়াল ফান্ডগুলিই সংকটে পড়েছে। অন্যান্য মিউচুয়াল ফান্ডগুলির বিশেষ সমস্যা হয়নি।
গত সপ্তাহে ফ্র্যাঙ্কলিন টেম্পলটন ঘোষণা করে, ২৩ এপ্রিল থেকে ভারতে ছ’টি ক্রেডিট ফান্ড বন্ধ করে দেবে। করোনাভাইরাস অতিমহামারীর ফলে বাজারের অবস্থা খারাপ হয়ে পড়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানায়, তারা বাজারের পরিস্থিতির দিকে লক্ষ রাখছে। বাজারে যাতে কোভিড-১৯ এর প্রভাব না পড়ে, সেজন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।