
শেষ আপডেট: 6 October 2023 11:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইডির অভিযানক নাটক বলে মন্তব্য করলেন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা নাগাদ তাঁর বাড়িতে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। টানা ১৮ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। তাঁরা ফিরে যাওয়ার পর রথীন ঘোষ অবশ্য জানান, তাঁকে কোনও জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়নি।। পৌরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র দেখে তাঁদের ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট-সহ বিভিন্ন তথ্য জানতে চেয়েছেন গোয়েন্দারা।
তিনি বলেন, “এগুলো সব নাটক করার জন্যই। ২০১৪ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত আমি যেহেতু মধ্যমগ্রাম পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম সেই কারণে ওদের এখানে আসা। এর আগে ওরা আমাদের চিঠি দিয়েছিল। জানতে চেয়েছিল নিয়োগ পদ্ধতিটা কী রকম ছিল। আমি তাদের কিছু আইনের ধারা বোঝালাম দেখালাম, এই সম্পর্কিত কিছু বইও তাঁদের হাতে তুলে দিয়েছি।”
রথীনবাবু বলেন, “যেহেতু আমি খাদ্যমন্ত্রী হয়েছি, তাই লোকের ধারণা আমার কিছু সম্পত্তি আছে। যাইহোক আমার সঙ্গে কেউ খারাপ ব্যবহার করেনি। ওঁরা যা যা চেয়েছেন আমি সেই ভাবেই সাহায্য করেছি।”
শুধু খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ নয়, পুর নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের তদন্তের সূত্রে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তর চব্বিশ পরগনার আরও বেশ কয়েকজন পুর চেয়ারম্যানের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা, টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী, বরানগর পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলি, দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান পাঁচুগোপাল রায়, দক্ষিণ দমদম পুরসভার বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই দত্তের বাড়িতেও এদিন হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। প্রত্যেকের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ধরে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কে গিয়েও স্টেটমেন্ট রিপোর্ট সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা।