দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিদির পাড়াতেই জট! টিকিট না পেয়ে নির্দল হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের দু’বারের কাউন্সিলর রতন মালাকার।
৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইয়ের বউ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। রতনকে এবার টিকিট দেয়নি দল। কিন্তু সেই তিনিই বুধবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে কাজ সেরে ফেলেছেন।
এরপর?
রতন ইতিমধ্যেই অভিযোগ করেছেন, তাঁর উপর চাপ তৈরি হচ্ছে। হরিশ মুখার্জি রোডে যে পার্টি অফিস থেকে তিনি তাঁর ওয়ার্ড এলাকার কাজ পরিচালনা করতেন তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর। রতনের আরও বক্তব্য, এলাকার মানুষের দাবি মেনেই আমি মনোনয়ন জমা দিয়েছি। এর বেশি কিছু বলব না। শেষ পর্যন্ত যদি রতন মনোনয়ন না তোলেন তাহলে দিদির পাড়াতেই তৃণমূল বনাম বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের লড়াই হতে চলেছে।
রতন মালাকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সৈনিক। এই ভবানীপুর উপনির্বাচনের আগেও উত্তীর্ণ সভাগৃহে মমতা যে কর্মিসভা করেছিলেন সেখানে বলেছিলেন, রতন, তুই কিন্তু নিজের ওয়ার্ডটা ভাল করে দেখে নিস। দিদির সেই ভোটে রতনের ওয়ার্ড বিপুল লিড দিয়েছিল।
এমনিতেই ১০৩ নম্বরে সুকুমার দাসকে প্রার্থী করায় বড় অংশের কর্মী তা মানতে পারেনি। রাস্তা অবরোধ করে দিদির কাছে বার্তা পাঠানোর চেষ্টা হয়েছিল, এই প্রার্থীর বদল চাই। মনোনয়ন পর্বের শেষ প্রহরেও ৬৮ নম্বরের প্রার্থী কে, তনিমা চট্টোপাধ্যায় নাকি সুদর্শনা মুখোপাধ্যায় তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। বেলা দেড়টা পর্যন্ত এই ওয়ার্ডে ত্ররীনমূলের প্রার্থী কে তা ঘোষণা হয়নি। অন্যদিকে আবার তনিমা বলেছেন, কাকে প্রার্থী করছে দেখে নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব। তার মধ্যেই দেখা গেল দিদির ভাইয়ের বউয়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েছেন রতন মালাকার।