
শেষ আপডেট: 6 September 2022 05:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিয়ের আগে ধর্ষিতা (rape survivor) হয়েছিলেন তিনি। তাই কুমারীত্বের পরীক্ষায় (virginity test) পাশ করতে পারেননি (failed) নববধূ। সেই কারণে সদ্য বিবাহিতা তরুণীকে মারধর করার (beaten) পর তাঁর বাপের বাড়ির লোককে ১০ লক্ষ টাকা (10 Lakhs) জরিমানা (fined) করল তরুণীর শ্বশুরবাড়ির লোকজন এবং গ্রামের খাপ পঞ্চায়েত (Khap Panchayat)।
ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের (Rajasthan) ভিলওয়াড়া জেলায়। ২৪ বছর বয়সী ওই তরুণীর সঙ্গে গত ১১ মে বিয়ে হয়েছিল এক যুবকের। বিয়ের পরেই তরুণীর স্বশুরবাড়ির লোকজন জোর করে 'কুকারী প্রথা' অনুযায়ী নববধূর কুমারীত্ব নির্ধারণের পরীক্ষা করেন। নিয়ম অনুযায়ী, সেই প্রথায় উতরোতে না পারলে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয় বধূর পরিবারকে।
কুমারীত্বের পরীক্ষা হল, কোনও মেয়ের বিয়ের আগে যৌন সম্পর্ক হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা। এই পদ্ধতির কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি না থাকলেও কিছু সম্প্রদায়ের মধ্যে এখনও এই জাতীয় প্রথা রয়ে গেছে। জানা গেছে, বিয়ের আগেই এক প্রতিবেশীর হাতে ধর্ষিতা হয়েছিলেন ওই তরুণী। থানায় সেই বিষয়ে মামলাও দায়ের করা হয়েছিল মেয়েটির পরিবারের তরফ থেকে। বিয়ের পর সে কথা জানতে পারে পাত্রপক্ষ। এরপর কুমারীত্বের পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়া মাত্রই তাঁর স্বামী এবং শাশুড়ি মাইল তাঁকে বেধড়ক মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। তারপর ৩১ অগস্ট এই বিষয়ে গ্রামের একটি মন্দিরে খাপ পঞ্চায়েত বসানো হয়। পঞ্চায়েতের কর্তারা এই ঘটনার জন্য ওই তরুণীর পরিবারকে প্রকাশ্যে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
জানা গেছে, তরুণীর শ্বশুর পুলিশের হেড কনস্টেবল পদে কর্মরত। তিনি তাঁর সদ্য বিবাহিতা পুত্রবধূর সঙ্গে ঘটা সমস্ত ঘটনার বিষয়ে জানতেন। এর ঘটনার পর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতা। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
রাতভর বৃষ্টিতে জলের তলায় অর্ধেক বেঙ্গালুরু, ক্ষোভে ফুঁসছে সমাজমাধ্যম