.webp)
শেষ আপডেট: 26 March 2024 23:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার সন্ধেয় না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ স্বামী স্মরণানন্দ। তিনি মিশনের ১৬ তম মহারাজ ছিলেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। তাঁর মৃত্যুতে মিশনের তরফে গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন স্বামী স্মরণানন্দ। ভর্তি করা হয়েছিল হাসপাতালে। মঙ্গলবার রাত ৮টা ১৪ মিনিটে সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। মহারাজের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে মঠ ও মিশনে ভক্তদের মধ্যে।
রামকৃষ্ণ মিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে ষোড়োশ মহারাজের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন স্বামী স্মরণানন্দ। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। মহারাজকে দেখে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এদিন মহারাজের মৃত্যুর খবরে গভীর শোক প্রকাশ করে টুইট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
Deeply saddened at the news of the demise tonight of Srimat Swami Smarananandaji Maharaj, the Revered President of the Ramakrishna Math and Mission. This great monk during his lifetime has given spiritual leadership to the world order of the Ramakrishnaites and remains the source…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) March 26, 2024
শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁকে প্রথমে পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। মাঝে সুস্থ হলে তাঁকে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে নিয়ে যা্ওয়া হয়। কিন্তু ফের অসুস্থতা বাড়লে তাঁকে পিয়ারলেসে ভর্তি করা হয়। শেষের ক'দিন মিশনের হাসপাতালেই ছিলেন মহারাজ।
মিশন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭৮ সালের বন্যার সময় দুর্গতদের উদ্ধারে বিশেষ দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন স্বামী স্মরণানন্দ। অন্য মহারাজদের কাছে তিনি সুরসিক এবং সরল মনের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দের জীব জ্ঞানে শিব সেবা শুধু মুখে বলাই নয়, নিজের প্রতিটি কাজের মাধ্যমেও বারে বারে সেই ছাপ রেখেছেন তিনি।
Srimat Swami Smaranananda ji Maharaj, the revered President of Ramakrishna Math and Ramakrishna Mission dedicated his life to spirituality and service. He left an indelible mark on countless hearts and minds. His compassion and wisdom will continue to inspire generations.
— Narendra Modi (@narendramodi) March 26, 2024
I had… pic.twitter.com/lK1mYKbKQt
মঠ সূত্রের খবর, ১৯২৯ সালে তামিলনাড়ুর গ্রামে জন্ম স্বামী স্মরণানন্দর। তাঁর পূর্বনাম ছিল জয়রাম। ১৯৪৬ সালে নাসিক থেকে বাণিজিক বিভাগে ডিপ্লোমা পাস করেন। ১৯৫২ সালে মিশনে দীক্ষা নেন। ৫৮ সালে কলকাতা শাখায় আসেন। ৭৬ সালে সারদাপীঠের দায়িত্ব নেন। তাঁর উদ্যোগেই বেলুড় মঠের সন্ধ্যারতি ক্যাসেট আকারে দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক নেমে এসেছে ভক্তদের মধ্যে।