দ্য ওয়াল ব্যুরো: সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নতুন ডিরেক্টর জেনারেল পদে নিযুক্ত হলেন রাকেশ আস্থানা। গুজরাত ক্যাডারের এই অফিসার এতদিন ব্যুরো অব সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির দায়িত্বে ছিলেন। অন্যদিকে, বিএসএফের দায়িত্বভার সামলাচ্ছিলেন এস এস দেশওয়াল।
আগামী বছর ৩১ জুলাই পর্যন্ত এই পদে থাকবেন আস্থানা। ১৯৮৪ ব্যাচের এই আইপিএস অফিসার দেশের বহু হাই প্রোফাইল মামলায় তদন্তকারী অফিসার হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন। ২০০২ সালের গোধরা কাণ্ড, ১৯৯৭ সালের লালু প্রসাদের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি কাণ্ডের তদন্তে ছিলেন তিনি। সিবিআইয়ের সেকেন্ড-ইন-কম্যান্ড আস্থানা গত বছর ব্যুরো অব সিভিল অ্যাভিয়েশনর ডিরেক্টর জেনারেল পদে বহাল হন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আস্থাভাজন বলে পরিচিত আস্থানা সিবিআইয়ের স্পেশাল ডিরেক্টর থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন সিবিআই ডিরেক্টর অলোক বর্মা। ২০১৮ সালের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিবিআইয়ের অন্দরের দ্বৈরথ প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। এ বছর সিবিআই আস্থানাকে ‘ক্লিনচিট’ দেয়। সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়, হায়দরাবাদের ব্যবসায়ী সতীশ সানা বাবুর থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতেই আস্থানার বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছিল। কিন্তু ঘুষ নেওয়ার প্রমাণ মেলেনি।
প্রাক্তন অর্থ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরমের স্ত্রী নলিনীর বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা নিয়েও অলোক বর্মার সঙ্গে রাকেশ আস্থানার মতবিরোধ হয়েছিল। আস্থানা-ঘনিষ্ঠ অফিসারদের দাবি ছিল, বর্মা চিদম্বরমের পত্নীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়ার পক্ষপাতী ছিলেন না। বর্মা-ঘনিষ্ঠ সূত্রের পাল্টা দাবি ছিল, এই অভিযোগ মিথ্যা। সিবিআইয়ের তদন্ত প্রক্রিয়ায় এককভাবে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। পরবর্তীকালে অলোক বর্মা অপসারিত হওয়ার পর নলিনীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়।