
শেষ আপডেট: 6 February 2024 11:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজু ঝা খুনের ঘটনার বিহারের কুখ্যাত দুষ্কৃতী রাজন কুমারকে দীর্ঘ টালবাহানার পর বিহারের হাজিপুর জেল থেকে বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়েছিল। তাকে এবার হেফাজতে নিল পুলিশ।
জানা গেছে, তাকে শনাক্তকরণের জন্য টিআই প্যারেডের আবেদন করেছিলেন তদন্তকারী অফিসাররা। সেই আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পর বর্ধমানের দ্বিতীয় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সংশোধনাগারে টিআই প্যারেড হয়েছিল। সেখানেই একজন প্রত্যক্ষদর্শী রাজনকে চিহ্নিত করেন। তারপরই তাকে হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেছিল পুলিশ। শেষে রাজনকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজত দেওয়া হয়েছে।
মামলায় রাজনকে ‘শোন অ্যারেস্ট’ (shown arrest)-এর জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন তদন্তকারী অফিসার। সেই আবেদনও মঞ্জুর করেন সিজেএম চন্দা হাসমত। এরপর শনাক্তকরণের জন্য তার টিআই প্যারেডের আবেদন জানায় পুলিশ। আদালত সেই আবেদনও মঞ্জুর করে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি বর্ধমান সংশোধনাগারে দ্বিতীয় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে টিআই প্যারেড করানো হয়।
গত ১ এপ্রিল শক্তিগড়ে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন রাজু ঝা। তদন্তে নেমে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে আদালতে ইতিমধ্যেই চার্জশিট পেশ করেছে পুলিশ। মামলাটি পঞ্চম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতে বিচারাধীন।
এরই মধ্যে নদিয়ার রাণাঘাটে স্বর্ণ বিপণিতে ডাকাতির মামলায় বৈশালীর কুখ্যাত শার্প শ্যুটার কুন্দন সিং গ্রেফতার হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে রাজু খুনে তার জড়িত থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হয় পুলিশ। এরপরই খুনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে হেফাজতে নেয় শক্তিগড় থানার পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে রাজু ঝা খুনের ঘটনায় বিহারের বৈশালী জেলার বিদুপুরের রঞ্জন কুমারের জড়িত থাকার কথা জানতে পারেন সিটের তদন্তকারীরা।