
শেষ আপডেট: 19 January 2024 20:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সর্বভারতীয়স্তরে বিজেপিকে ঠেকাতে লোকসভা নির্বাচনে বিরোধীরা একত্রিতভাবে ইন্ডিয়া জোট গড়েছে। আসন বণ্টন নিয়ে রাজ্যে রাজ্যে শরিকদলগুলির মধ্যে দর কষাকষি শুরু হয়েছে। বাংলাও তার ব্যতিক্রমী নয়। এরাজ্যের ক্ষমতায় তৃণমূল। অন্যদিকে একুশের ভোটেও বামফ্রন্ট, কংগ্রেস একত্রিতভাবে লড়াই করেছিল। এমন আবহে বাংলায় আদৌ জোট হবে কি না, তা নিয়ে দ্বন্দ্বে কংগ্রেস, তৃণমূল দুই দলের নেতারা।
তবে উত্তর দিনাজপুরে গেলে কিন্তু মনে হতে পারে, বাংলায় কংগ্রেস এবং তৃণমূলের জোট হচ্ছেই। সৌজন্যে, কংগ্রেসের একটি প্রচার।
তৃণমূলের উত্তর দিনাজপুর জেলা নেতৃত্বর অভিযোগ, উত্তর দিনাজপুরের কংগ্রেস জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত জেলার বিভিন্ন জায়গায় সভা সমাবেশে গিয়ে বলে বেড়াচ্ছেন, রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে জোটের প্রার্থী দীপা দাশমুন্সি।
তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি অরিন্দম সরকারের বক্তব্য, “এটা অপপ্রচার ছাড়া আর কী বলব? মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন কংগ্রেসের জেলা নেতৃত্ব। বিষয়টি রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েছি।“
পাল্টা হিসেবে কংগ্রেস জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্তর দাবি, “হতে পারে কথাটা আমি বলছি, কিন্তু এটাই রায়গঞ্জের মানুষের দাবি। সেটাই আমি দায়িত্ব নিয়ে সকলের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি। জোট না হলেও কংগ্রেসের টিকিটে এখান থেকে দীপাদেবীই লড়বেন।”
কংগ্রেসের কে কোথায় প্রার্থী হবে, তা ঠিক করে হাই কম্যান্ড। সেখানে মোহিতের এমন দাবি তাঁর নিজের পরিকল্পিত বলেই দাবি তৃণমূল নেতৃত্বর। এ ব্যাপারে দীপা দাশমুন্সিরও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে রায়গঞ্জের ঘটনায় জোটের সমীকরণ আরও জটিল হয়ে উঠল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
এর আগে সম্প্রতি জোটের আসন ভাগাভাগি নিয়ে অধীর দাবি করেছিলেন, “পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের হারানোর কিছু নেই। তৃণমূলের দয়া-দাক্ষিণ্যে বাংলায় লড়বে না কংগ্রেস।”
শুধু এখানেই না থেমে সরাসরি তৃণমূল নেত্রীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে অধীর আরও বলেন, ”আপনি নিজে লড়ুন বহরমপুরে, কত ক্ষমতা আছে দেখব। তৃণমূলকে হারিয়ে পরপর দুবার বহরমপুর, মালদহে জিতেছে কংগ্রেস।”