দ্য ওয়াল ব্যুরো : কর্ণাটকে এইচ দি কুমারস্বামীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে এক মঞ্চে বসেছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী ও তেলুগু দেশম নেতা ছিদ্রবাবু নাইডু। তখনই বোঝা গিয়েছিল, চন্দ্রবাবু কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠ হচ্ছেন । বৃহস্পতিবার বিকালে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু দিল্লিতে রাহুলের বাড়িতে গেলেন। একদফা আলোচনার পরে সাংবাদিক বৈঠক করলেন দুজন। রাহুল বললেন, আমাদের খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। আমরা একমত যে, গণতন্ত্র ও দেশের ভবিষ্যৎকে রক্ষা করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া দরকার। এই পরিস্থিতিতে প্রতিটি বিরোধী দলেরই জোট বাঁধা দরকার।
তেলুগু দেশম পার্টি তার জন্মলগ্ন থেকে কংগ্রেস বিরোধী। চন্দ্রবাবুর শ্বশুর এন টি রামারাও আটের দশকের শেষদিকে অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশে কংগ্রেসকে হারানোর জন্যই ওই দল তৈরি করেছিলেন। চন্দ্রবাবু অতীতে কখনও বাম কখনও বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। কিন্তু কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠ হননি কখনও। সেদিক থেকে কংগ্রেস সভাপতির সঙ্গে তাঁর বৃহস্পতিবারের মিটিং ঐতিহাসিক বলা যায়।
রাহুল তেলুগু দেশমের অতীতের কংগ্রেস বিরোধিতার কথা পরোক্ষে উল্লেখ করে বলেছেন, আগে কী হয়েছে ভুলে যাওয়াই ভালো। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের চিন্তা করা উচিত। চন্দ্রবাবু বলেন, দেশ বাঁচানোর জন্যই আমাদের একজোট হতে হবে।
চলতি সপ্তাহে এই নিয়ে দুবার দিল্লিতে এলেন চন্দ্রবাবু। দেশের প্রায় প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী নেতার সঙ্গে তিনি দেখা করেছেন। একসময় তিনি ছিলেন এনডিএ-র শরিক। এখন এনডিএ বিরোধী জোটের প্রধান কারিগর হতে চাইছেন।
তিনি বলেন, আমি ১৯৮৯ ও ১৯৯৬ সালে দিল্লিতে কোয়ালিশন সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলাম। অতীতে জোট সরকার ভালো কাজ করেছে। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার জন্য বিভিন্ন দল একে অপরের কাছাকাছি আসে। আমি বিরোধী জোট গঠনে সহায়কের ভূমিকা পালন করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা আমার নেই।