BREAKING: আমার ফেরার কোনও প্রশ্নই নেই, নতুন সভাপতি বাছুন: রাহুল
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনি যাতে দলের সভাপতি পদের দায়িত্ব না ছাড়েন, সে জন্য গত কয়েকদিন ধরে সর্বভারতীয় কংগ্রেসের দফতরে ধর্না চলছে। দলের বিভিন্ন রাজ্য সংগঠন ও কেন্দ্রীয় সংগঠনের অনেক নেতা ইতিমধ্যে ইস্তফা দিয়েছে। কামরাজ প্ল্যানের মতো পরিস্থিতি তৈরি
শেষ আপডেট: 3 July 2019 09:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিনি যাতে দলের সভাপতি পদের দায়িত্ব না ছাড়েন, সে জন্য গত কয়েকদিন ধরে সর্বভারতীয় কংগ্রেসের দফতরে ধর্না চলছে। দলের বিভিন্ন রাজ্য সংগঠন ও কেন্দ্রীয় সংগঠনের অনেক নেতা ইতিমধ্যে ইস্তফা দিয়েছে। কামরাজ প্ল্যানের মতো পরিস্থিতি তৈরি করে চাপ বাড়াতে চেয়েছেন রাহুল গান্ধীর উপর।
কিন্তু সনিয়া-রাজীব পুত্র বুধবার স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তিনি আর কংগ্রেস সভাপতি পদে ফিরছেন না। তাঁর কথায়, “আমি আর কংগ্রেসের সভাপতি নই। ইস্তফা দিয়েছি। কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির উচিত হবে যত দ্রুত সম্ভব বৈঠক ডেকে পরবর্তী সভাপতি নির্বাচিত করা”।
লোকসভা ভোটে এ বারও ভরাডুবি হয়েছে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেসের। টেনেটুনে ৫২টি আসনে জিতেছে সাবেক জাতীয় দল। ভোটের ফল ঘোষণার দু'দিন পরই দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে রাহুল জানিয়ে দেন, তিনি আর সভাপতি পদে থাকতে চান না। ইস্তফা পত্রও ওয়ার্কিং কমিটির সামনে পেশ করেন তিনি।
এই পরিস্থিতিতে দৃশ্যত সংকটে পড়েছে কংগ্রেস। দলের শীর্ষ নেতাদের একাংশ মনে করছেন রাহুল সভাপতি পদে না থাকলে কংগ্রেস পার্টিটাই ধরে রাখা যাবে না। ভেঙে আরও টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। তবে রাহুল ঘনিষ্ঠদের মতে, রাজনীতি নিয়ে রাহুল গান্ধীর যেমন রোমান্টিকতা রয়েছে, তেমন সততাও রয়েছে। রাহুল হয়তো বুঝতে পারছেন, তাঁর নেতৃত্ব দেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না। অথবা হতে পারে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করা শুরু করেছেন দেশের মানুষ। ফলে তিনি সভাপতি পদে থাকলে দলেরই ক্ষতি হবে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, বুধবার রাহুল যে কথা বলেছেন তার পর আর কোনও অনুনয় বিনয়ে কাজ হবে বলে মনে হচ্ছে না। সেটা কংগ্রেসের অন্য নেতাদেরও বুঝতে হবে। সেই ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ডেকে দ্রুত নতুন সভাপতি নির্বাচন করতে হবে। নইলে আরও ক্ষতি হয়ে যেতে বারে কংগ্রেসের।
আরও পড়ুন:
https://www.four.suk.1wp.in/news-national-why-rahul-gandhi-resigned-as-president-of-congress-12-points/