
রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শেষ আপডেট: 15 November 2024 22:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: বৈদ্যবাটিতে এক তৃণমূল কাউন্সিলর পড়শির বাড়িতে কার্তিক ফেলেছেন! বাংলায় সামাজিক আচার ব্যবস্থায় এই কার্তিক ফেলার বিষয়টি বড় ব্যাপার। কারও বাড়ির দোরগোড়ায় কার্তিক ফেলা মানে সেই বাড়ির কর্তাকে কার্তিক পুজো করতেই হবে। কিন্তু তৃণমূল কাউন্সিলর অন্যের দরজায় কার্তিক ঠাকুর ফেলছেন, এ ব্যাপারটা অভিনব বইকি।
শুক্রবার এ নিয়েই মস্করা ও প্রশ্নের মুখে পড়তে হল হুগলির নতুন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ‘দিদি আপনি কখনও কার্তিক ফেলেছেন কারও বাড়িতে?’
এমনিতে প্রশ্ন শোনার আগেই কখনও কখনও হেসে ফেলার বাতিক রয়েছে রচনার। হয়তো তা রিয়েলিটি শো হোস্ট করার প্রভাব হতে পারে। এদিনও প্রশ্ন শুনে রচনা আগে হেসে দেন। পরে বলেন, ‘না না আমি কখনও কার্তিক ফেলিনি। কার্তিক ফেলার সময়ও নেই!’
শুক্রবার বিরসা মুন্ডার জন্ম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে পোলবা দাদপুর ব্লকের কৃষি খামার প্রাঙ্গনে ছিলেন হুগলির সাংসদ। পাশের লোকসভা আসন আরামবাগের সাংসদ মিতালী বাগ, বিধায়ক অসীমা পাত্রও উপস্থিত ছিলেন সেখানে। আদিবাসী মহিলাদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে আদিবাসী বাজনার তালে নেচেছেন বিধায়ক ও সাংসদরা। তবে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু অবশ্যই ছিল রচনা।
নানা প্রশ্নের ফাঁকে সাংবাদিকরা কার্তিক পুজো নিয়েও প্রশ্ন করেন তাঁকে। তখনই চেনা মেজাজে পাওয়া যায় দিদি নাম্বার ওয়ানকে। হেসে হেসেই সাংসদ বলেন, "আমার বাড়িতে আর কার্তিক ফেলার সময় নেই। কার্তিক পুজো হয়ওনি কখনও। আমার বাড়িতে কার্তিক আছে। সে এখন নিজের পুজো নিজেই করে নেয়।"
হুগলির বাঁশবেড়িয়ায় কার্তিক পুজো বিখ্যাত। সেখানে তিনি যাবেন কিনা জানতে চাওয়া হবে, রচনা বলেন, "জগদ্ধাত্রী পুজোয় চন্দননগরে আসা হয়নি। আগামী বছর আসব। বাঁশবেড়িয়ার কার্তিক পুজোতেও আজআর যাওয়া হবে না।"