Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

দার্জিলিং নয়, বীরভূমের রুক্ষ জমিতেও চা চাষ! বিশ্বভারতীর নয়া উদ্যোগ

বিশ্বভারতীর পল্লীশিক্ষা ভবনের উদ্ভিদ রোগবিজ্ঞান বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিকালচার ফার্মে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করেছে চা চাষ।

দার্জিলিং নয়, বীরভূমের রুক্ষ জমিতেও চা চাষ! বিশ্বভারতীর নয়া উদ্যোগ

দার্জিলিং নয়, বীরভূমের রুক্ষ জমিতেও চা চাষ!

শেষ আপডেট: 30 August 2024 16:54

দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম : সারা বিশ্বে দার্জিলিং চায়ে কদর রয়েছে। তবে চায়ের মানে অসমও পিছিয়ে নেই। কিন্তু চা চাষে ক্ষেত্রে একটি পরীক্ষামূলক উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্বভারতী। লাল মাটির দেশ বীরভূমের রুক্ষ জমিতে এবারে চা চাষের পরিকল্পনা নিয়েছে তারা।

বিশ্বভারতীর পল্লীশিক্ষা ভবনের উদ্ভিদ রোগবিজ্ঞান বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিকালচার ফার্মে পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করেছে চা চাষ। প্রাথমিকভাবে এখানে চার রকম চা পাতার চাষ করা হবে। শুধু তাই নয়, চা পাতা নিয়ে আরও বিভিন্ন রকম গবেষণা করার পরিকল্পনা রয়েছে উক্ত বিভাগের। এমনটাই স্পষ্ট করে জানিয়েছেন বিভাগীয় অধ্যাপক ড: ভোলানাথ মণ্ডল। 

রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদেশে গিয়ে কৃষিবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা শেষ করার পরে বীরভূমের রুক্ষ মাটিকে কীভাবে চাষের উপযোগী করে তোলা যায় তার জন্য একাধিক গবেষণা করেছিলেন । রথীন্দ্রনাথের সেই ভাবনাকেই সম্মান জানিয়ে এখনও বিশ্বভারতীর বিশ্ববিদ্যালয়ের পল্লী সংগঠন বিভাগ, পল্লী শিক্ষা ভবন, রথীন্দ্র কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রতে বিভিন্ন ধরনের গবেষণা চলছে । উদ্ভিদ  রোগ বিজ্ঞান বিভাগ এই পল্লী শিক্ষা ভবনেরই আওতাধীন। 

দার্জিলিং ও বীরভূমের আবহাওয়ায় আকাশ পাতাল পার্থক্য রয়েছে। তাই দার্জিলিংয়ের মতো বীরভূমের মাটিতে ভালো মানের চা উৎপাদন করাটা যেন ভোলানাথবাবুর কাছে কার্যত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ।

অধ্যাপকের দাবি,"আবহাওয়ার পার্থক্যের কারণে চা পাতার গুণমানের পার্থক্যও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে । যদি রুক্ষ মাটিতে পরীক্ষামূলকভাবে এই চা পাতার চাষ সফল হয় তবে তা যুগান্তকারী হবে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না ।"

তিনি আরও জানিয়েছেন,  দেড় বিঘা জমিতে টিনালি, টিবি নাইন, ২৩-২৪, ২৫-২৬ এই চার রকমের চা পাতা পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা হচ্ছে। যেটাকে সফল করতে এগিয়ে এসেছেন বেশ কিছু সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থাও। কোনও কৃষি জমি নয়, এই চাষের জন্য রুক্ষ এবং অনাবাদি জমিতেই এই চাষ করা হচ্ছে। দার্জিলিং জলপাইগুড়ি ও অসমের সঙ্গে বীরভূমের আবহাওয়ার পার্থক্য থাকলেও , মাটির প্রকার অনেকটা অম্লযুক্ত। তবে জৈব সার বীরভূমের থেকে ওদিকের মাটিতে অনেকটাই বেশি। যদি এই পাইলট প্রজেক্ট সফল হয় তবে এগ্রোটুরিজমের মুকুটের যে আরও একটি নতুন পালক উঠবে তা বলার অপেক্ষায় রাখে না।


```