সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, কিছুমাস আগেই এক ডাকাতির ঘটনায় কিরণকে গ্রেফতার করে মল্লারপুর থানার পুলিশ।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 19 July 2025 17:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক আত্মহত্যার ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বীরভূমের মল্লারপুরের মহুরাপুর গ্রামে। সকালে নিজের বাড়ি থেকে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। দেহের পাশ থেকেই উদ্ধার হয়েছে একটি সুইসাইড নোট। তাঁর এই চরম সিদ্ধান্তের জন্য দায়ী মল্লারপুর থানার ওসি রাজকুমার দাস, স্পষ্ট উল্লেখ করা রয়েছে সেখানে।
মৃত ওই ব্যক্তির নাম কিরণ মণ্ডল ওরফে শঙ্খ। মারা যাওয়ার আগে লেখা ওই সুইসাইড নোটে থানার ওসি রাজকুমার দাস তাঁকে মারধর করতেন, তাঁর নামে মিথ্যা অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন – এমনই কিছু গুরুতর অভিযোগ করেছেন তিনি। তারপরই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন কিরণ।
নোটে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, ‘আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী মল্লারথানার বড়বাবু রাজ কুমার দাস। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। পুরোপুরি সাজিয়ে কেস দিয়েছে। উনি অনেকজনকে ফাঁসিয়ে অনেকেরই জীবন নষ্ট করেছে। মল্লারপুর থানার পুলিশ বিশেষ করে রাজকুমার দাস যেন শাস্তি পায়। আমার মৃত্যুর পিছনে অন্য কারও হাত নেই। শুধু মল্লারপুর থানার রাজকুমার দাসের জন্য আমাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হছে।’
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, কিছুমাস আগেই এক ডাকাতির ঘটনায় কিরণকে গ্রেফতার করে মল্লারপুর থানার পুলিশ। সেই সময় প্রায় এক মাস তাঁর জেল হয়। গত ১৫ জুলাই তিনি জামিনে মুক্তি পান। আজ সকালে তাঁর নিজেরই মাটির বাড়ির দোতলা থেকে ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এরপর ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর মৃতদেহ রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে মল্লারপুর থানার পুলিশ।