দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ১১ অক্টোবর কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government) বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও পাঞ্জাবে সীমান্তের ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত ভিতরে তল্লাশি চালাতে পারবে বিএসএফ। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ক্ষমতাবৃদ্ধির প্রতিবাদে শনিবার সুপ্রিম কোর্টে গেল পাঞ্জাব সরকার। তাদের বক্তব্য, ওই বিবৃতি দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকেই চ্যালেঞ্জ করেছে। সংবিধানের ১৩১ নম্বর ধারা উল্লেখ করে পাঞ্জাব সরকারের কৌঁসুলি বলেছেন, রাজ্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে বিএসএফকে।
পাঞ্জাব সরকারের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত জেলাগুলির ৮০ শতাংশ অঞ্চলে বিএসএফ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে। কিন্তু সংবিধানে বলা হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব রাজ্যের। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের অধিকার কেড়ে নিতে চায়। ওই বিজ্ঞপ্তি জারির আগে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের সঙ্গে আলোচনাও করেনি। সুপ্রিম কোর্ট এবিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য জানতে চেয়েছে। বক্তব্য পেশ করার জন্য মোদী সরকারকে সময় দেওয়া হয়েছে ২৮ দিন।
পাঞ্জাব সরকারের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নভজ্যোৎ সিং সিধু। তাঁর কথায়, “পাঞ্জাব সরকারই প্রথম বিএসএফের ক্ষমতাবৃদ্ধির প্রতিবাদে আদালতে গেল। পাঞ্জাবের লিগ্যাল টিমকে অভিনন্দন জানাই।”
https://twitter.com/sherryontopp/status/1469639478067097605
এর আগে সিধু একাধিকবার খোলাখুলি কংগ্রেসের সমালোচনা করেছেন। প্রাক্তন ক্রিকেটার সিধুকে নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছে তাঁর দল। তিনি এদিন বলেন, “সংবিধানে যে নীতির কথা বলা হয়েছে, তা রক্ষা করার জন্য লড়াই করতে হবে। দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং রাজ্যের স্বশাসনের ক্ষমতা রক্ষার সংগ্রাম শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাবদিহি চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছে আদালত।”