Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্লাজমা থেরাপির প্রথম পরীক্ষামূলক প্রয়োগ সফল পঞ্জাবে, সুস্থ হচ্ছেন সঙ্কটাপন্ন কোভিড রোগী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে এই প্রথমবার। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের অনুমোদনে প্লাজমা থেরাপির প্রথম প্রয়োগ হল পঞ্জাবে। সঙ্কটাপন্ন কোভিড রোগীর শরীরে এই থেরাপি করেছিলেন ডাক্তাররা। সূত্রের খবর,

প্লাজমা থেরাপির প্রথম পরীক্ষামূলক প্রয়োগ সফল পঞ্জাবে, সুস্থ হচ্ছেন সঙ্কটাপন্ন কোভিড রোগী

শেষ আপডেট: 12 June 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে এই প্রথমবার। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের অনুমোদনে প্লাজমা থেরাপির প্রথম প্রয়োগ হল পঞ্জাবে। সঙ্কটাপন্ন কোভিড রোগীর শরীরে এই থেরাপি করেছিলেন ডাক্তাররা। সূত্রের খবর, সেই রোগীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠার পথে তিনি। ফরিদকোটের গুরু গোবিন্দ সিং মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে কোভিড রোগীর শরীরে প্লাজমা থেরাপি করতে পাঁচজন ডাক্তারের একটি টিম তৈরি হয়। এই মেডিক্যাল টিমে ছিলেন মেডিসিন বিভাগের ডাক্তার রবীন্দ্র গর্গ, ব্লাড ট্রান্সফিউশন বিভাগের ডাক্তার নীতু কুকার, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ডাক্তার নীরজা জিন্দাল ও ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটের ডাক্তার দিব্যা কবিতা। রাজ্যের চিকিৎসা ও গবেষণা বিষয়ক মন্ত্রী ও পি সোনি জানিয়েছেন, প্লাজমা থেরাপির প্রয়োগ সফল হয়েছে। সঙ্কটাপন্ন কোভিড রোগীর উপর এই থেরাপির সফল প্রয়োগ করে গুরু গোবিন্দ সিং মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। তিনি জানিয়েছেন, ওই কোভিড রোগী সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটারি সিন্ড্রোমে আক্রান্ত ছিলেন। শারীরিক অবস্থাও ক্রমেই খারাপ হচ্ছিল। প্লাজমা থেরাপির পরে তাঁর শ্বাসের সমস্যা অনেক কমেছে। সুস্থ হয়ে উঠছেন ধীরে ধীরে। এরপরে অমৃতসরেও এই প্লাজমা থেরাপির প্রয়োগ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। কোভিড ভ্যাকসিন বা সংক্রমণ প্রতিরোধী কার্যকরী ওষুধ না আসা অবধি প্লাজমা থেরাপির প্রয়োগেই সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। তবে সঠিক নির্দেশিকা মেনে এবং নির্দিষ্ট পদ্ধতিতেই এই থেরাপির প্রয়োগ করার কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্মসচিব লব আগরওয়াল। কেন্দ্রের অনুমোদনে ইতিমধ্যেই দশ রাজ্যের প্রায় ২১টি হাসপাতালে কোভিড রোগীদের উপরে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ করার প্রস্তুতি নিয়েছে আইসিএমআর। এর মধ্যে, মহারাষ্ট্রের  ৫টি হাসপাতাল, গুজরাতের ৪টি হাসপাতাল, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশের ২টি করে হাসপাতাল এবং পঞ্জাব, কর্নাটক, তেলেঙ্গানা ও ছত্তীসগড়ের ১টি করে হাসপাতালের নাম রয়েছে। মহারাষ্ট্রে প্লাজমা থেরাপির প্রথম পরীক্ষামূলক প্রয়োগ সফল হয়েছে বলেই জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপে। মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে এই থেরাপির ট্রায়াল করেন ডাক্তাররা। তার ফল সন্তোষজনক বলেই জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, দিল্লিতে চারজন করোনা রোগীর মধ্যে দু’জনের উপর এই থেরাপি কার্যকরী হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। কেরলে অনেক আগে থেকেই প্লাজমা থেরাপির ট্রায়াল শুরু হয়েছে। আহমেদাবাদের দুটি হাসপাতালেও এই থেরাপির প্রয়োগ শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজেও প্রথমবার রক্তরস বা প্লাজমা সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে। প্লাজমা থেরাপি হল এমন এক চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে সংক্রমণ সারিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠার রক্ত থেকে প্লাজমা নিয়ে আক্রান্তের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। এর একটাই কারণ, সেটা হল সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তির রক্তরস বা প্লাজমায় যে অ্যান্টিবডি তৈরি হবে তাকে বিশেষ পদ্ধতিতে আক্রান্ত রোগীর শরীরে ট্রান্সপ্লান্ট করা। ভাইরাসকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন যিনি তার অ্যান্টিবডি রোগীর শরীরে গিয়েও একইরকম ক্ষমতা দেখাবে বলেই দাবি গবেষকদের। তবে আইসিএমআর জানিয়েছে, আইসিএমআর জানিয়েছিল, প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগের আগে, দাতা ও গ্রহীতার রক্তের গ্রুপ ও রক্তের আরও কিছু পরীক্ষা করে নেওয়া জরুরি। কারণ প্লাজমা থেরাপি সব রোগীর উপরে প্রয়োগ করা নাও যেতে পারে। সংক্রমণের ধরন, উপসর্গ, রোগীদের শারীরিক অবস্থা অনেক কিছু পরীক্ষা করে দেখে তবেই এই থেরাপির প্রয়োগ হতে পারে। তার ওপর দাতার শরীরে সংক্রমণ থেকে গেছে কিনা সেটাও নিশ্চিত হওয়া জরুরি। আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে ওঠার পরেও তাঁকে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে রেখে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। এরপরেও টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তবেই তাকে পুরোপুরি সুস্থ বলা যায়। তখন তার প্লাজমা থেরাপির জন্য নেওয়া যেতে পারে।

```