
শেষ আপডেট: 17 February 2019 18:30
কামরান।[/caption]
সেনা সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার যেখানে আত্মঘাতী হামলা হয়েছিল তার থেকে ৬-৮ কিলোমিটার দূরে একটি বাড়িতে লুকিয়ে ছিল জঙ্গিরা। সেখানেই গা ঢাকা দিয়ে ছিল অবন্তীপোরায় সেনা কনভয়ে আইইডি হামলার মূল চক্রী কামরান ওরফে আবদুল রশিদ গাজি। সেনার গুলিতেই খতম হয় সে। সেই সঙ্গে মৃত্যু হয় অপর জঙ্গি হিলালের। হিলাল পুলওয়ামারই স্থানীয় বাসিন্দা। জইশের একটি ঘাঁটি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও খবর।
https://twitter.com/ANI/status/1097333691876081665
গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে, কামরান ওরফে আবদুল রশিদ গাজি আফগানিস্তানের বাসিন্দা। প্রথম জীবনে সে আফগান সেনায় কাজ করেছে। আইইডি তথা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস তৈরিতে পাকা হাত এই কামরানের। তাকে আফগানিস্তান রিক্রুট করেছিল জইশ চিফ মাসুদ আজহার। তার পর পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জইশ মহম্মদের ক্যাম্পে বেশ কিছু দিন ছিল আবদুল রশিদ। বস্তুত সেই সময়ে তার সঙ্গে সখ্য তৈরি হয় মাসুদ আজহারের। তার গত ডিসেম্বর মাসে ভারত-পাক নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে ভারতে ঢুকেছিল সে। কাশ্মীরে এসে নতুন নাম নেয় আবদুল রশিদ-কামরান।
সেনা কনভয় হামলার অন্তত তিন মাস আগে থেকে জইশ-ই-মহম্মদের ফিদায়েঁ জঙ্গি আদিল আহমেদ দারকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চলছিল। এমনটাই জানিয়েছে গোয়েন্দা সূত্র। আদিলকে আত্মঘাতী হামলার জন্য তৈরি করার দায়িত্বই ছিল কামরানের উপর। আইইডি বিশেষজ্ঞ কামরানের নেটওয়ার্ক ছিল সাঙ্ঘাতিক। সেনা কনভয়ে গাড়িবোমা হামলার গোটা ছকটাই তারই মস্তিষ্কপ্রসূত।
সেনা সূত্রের খবর, এখনও গুলির লড়াই চলছে। পুরো এলাকা ঘিরে রয়েছেন জওয়ানরা। তল্লাশি চলছে জোরকদমে। এখনও এক, দু’জন জঙ্গির লুকিয়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ দিনের ঘটনার পর সেনাদের অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন ডিজিপি এস পি ভেদ। তাঁর কথায়, "পুলওয়ামা কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড নিহত। ভারতীয় সেনাদের অভিনন্দন। সংঘর্ষে নিহত শহিদ সেনাদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।"
আরও পড়ুন: