
শেষ আপডেট: 11 August 2019 06:20
আধঘণ্টার মধ্যে ওং তাই অঞ্চল থেকে কিছু দূরে শুরু হল ধুন্ধুমার লড়াই। পুলিশ ঝাঁকে ঝাঁকে রবার বুলেট ছুঁড়তে লাগল ছাত্রদের দিকে। সঙ্গে ছিল কাঁদানে গ্যাস। কিছুক্ষণ লড়াই চালিয়ে ছাত্ররা রণে ভঙ্গ দিল।
আধ ঘণ্টা বাদে ফের সেখানে বিয়াঙ্কাকে দেখা গেল। সে পোশাক পালটে এসেছে। তার পরণে এখন টপ আর জিনস। মনে হচ্ছে, সে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও নিরীহ ছাত্রী। রাতের বেলায় ঘুরতে বেরিয়েছে। তার হাতে ছিল ফোন। ফোনের মাধ্যমেই বাকিদের নির্দেশ দিচ্ছিল, এবার কোথায় বিক্ষোভ হবে।
হংকং-এ ৭০ লক্ষ মানুষ বাস করেন। তাঁরা এখন এই ধরনের পথযুদ্ধে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছেন। শহরে গন্ডগোল শুরু ফেব্রুয়ারি মাস থেকে। তখন চিন সরকার একটি বিল আনে, যাতে বলা ছিল, এবার থেকে হংকং-এ অভিযুক্ত কোনও ব্যক্তিকে বিচারের জন্য চিনে পাঠানো যাবে। হংকং-এর মানুষের ধারণা হয়, চিন তাদের স্বশাসনকে খর্ব করতে চায়।
১৯৯৭ সালে হংকং যখন চিনের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন বলা হয়েছিল ওয়ান কান্ট্রি টু সিস্টেম নীতিতে অবিচল থাকবে বেজিং। অর্থাৎ চিন তার আইন ও রীতিনীতি ওই দ্বীপ শহরের ওপর জোর করে চাপিয়ে দেবে না। হংকং হবে স্বশাসিত শহর। বিদেশ ও প্রতিরক্ষা বাদে বাকি সব বিষয়ে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেবে নগর প্রশাসন।
হংকং-এর মানুষের অভিযোগ, চিন বারে বারেই তাদের ব্যাপারে নাক গলাতে চেষ্টা করেছে। সেজন্য শহরে বিক্ষোভ হয়েছে আগেও। গত ফেব্রুয়ারিতেও চিনের বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ লোক বিক্ষোভে নেমেছিলেন। চাপের মাথায় চিন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ওই বিল কার্যকর করা হবে না। তাও বিক্ষোভ থামেনি।
