
শেষ আপডেট: 30 November 2023 18:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিয়োগ মামলায় ফের আদালতের প্রশ্নের মুখে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ২০১৬ সালের প্রাথমিকের নিয়োগ মামলায় গত অক্টোবরে আদালতে হলফ নামা জমা দেওয়ার কথা ছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের। নভেম্বরের শেষ দিনেও এ ব্যাপারে আদালতে হলফনামা পেশ করা হয়নি। যা নিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়তে হল পর্ষদের আইনজীবীকে।
সম্প্রতি নিয়োগ সংক্রান্ত সব মামলা কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে ফেরৎ পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। এরপরই ২০১৬ সালের নিয়োগ মামলা বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে স্থানান্তর করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। বৃহস্পতিবার ওই মামলার শুনানিতে হলফনামা জমা দেওয়ার জন্য আরও সময় চাওয়া হয় পর্ষদের তরফে।
এরপরই বিচারপতি সিনহা পর্ষদের কাছে জানতে চান, “অক্টোবরে হলফনামা দেওয়ার কথা বলা হয়। এখনও বোর্ড সময় চাইছে?” বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “যাঁরা অপেক্ষা করছেন তাঁরা বেকার। এই সব কারণে তাঁদের জীবন থেকে রোজ একদিন করে নষ্ট হচ্ছে।”
মামলাকারীদের তরফে আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত, ফিরদৌস শামিম এদিন আদালতে বলেন, “পর্ষদ কোনও প্যানেল প্রকাশ করেনি। যদিও পর্ষদের তরফে জানানো হয় যে তাঁরা প্যানেল প্রকাশ করছে। ৯৯৪ প্রার্থী নিয়োগ হয়। যেটি নিয়োগ সংখ্যার চাইতে বেশি। ফলে ৯৪ বাদ দিলেও আর কোন শূন্যপদ নেই।”
এরপরই পর্ষদের উদ্দেশে বিচারপতি জানতে চান, “যাদের বেআইনি নিয়োগ হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নিয়েছেন?” পর্ষদের তরফে সময় চাওয়া হয়। এরপরই ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে রুল অনুযায়ী পর্ষদকে সঠিক প্যানেলের হলফনামা আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ১২ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।