[caption id="" align="aligncenter" width="650"]

চলছে তদন্ত।[/caption]
কয়েক মাস আগে ভ্যাটিক্যানের হস্তক্ষেপ চেয়ে তাঁর সঙ্গে হওয়া অপরাধের বিচার পাওয়ার আবেদন করেছিলেন কেরলের এক সন্ন্যাসিনী। তাঁর অভিযোগ, জলন্ধরের বিশপ ফ্র্যাঙ্কো তাঁকে ২০১৪ থেকে ২০১৬-র মধ্যে একাধিক বার ধর্ষণ করেছেন। ওই সন্ন্যাসিনী আরও দাবি করেন, বিশপ তাঁর রাজনৈতিক যোগাযোগ ও আর্থিক ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চাইছেন।
অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরে গ্রেফতার হলেও, তার তিন সপ্তাহের মধ্যে কেরল হাইকোর্ট ফ্র্যাঙ্কোর জামিন মঞ্জুর করে। জামিন পেয়ে তিনি জলন্ধরে ফেরার পরে, অনুগামীরা গলায় মালা পরিয়ে, গোলাপ ফুলের পাপড়ি ছুড়ে স্বাগত জানান ধর্ষণে অভিযুক্ত ওই বিশপকে।
মৃত ফাদার কুরিয়াকোসের পরিবারের তরফে অভিযোগ, এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। সূত্রের খবর, ফ্র্যাঙ্কো মুলাক্কলের বিরুদ্ধে যে ধর্ষণের মামলা দায়ের হয়েছে, সেই ঘটনায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন না ফাদার কুরিয়াকোস। কিন্তু পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে তাঁর সঙ্গেও কথা বলা হয়। সেখানেই তিনি এমন কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা জানান, যা ফ্র্যাঙ্কোর বিরুদ্ধে যায়। একটি মালয়ালাম টিভি চ্যানেলে মৃত ফাদারের পরিজনেরা অভিযোগ করেন, বিশপের বিরুদ্ধে কথা বলায় তাঁকে লাগাতার খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। মৃতের ভাই জোস কাট্টুথারা বলেন, “আমরা একশো শতাংশ নিশ্চিত যে ওঁরাই খুন করেছেন আমার দাদাকে।” এমনকী কয়েক দিন আগে প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে ফাদার কুরিয়াকোস জানান, ফ্র্যাঙ্কোর বিরুদ্ধে মুখ খুললে যে তার ফল খুব ভাল হবে না, তা তিনি জানেন। নিজের ভয়ের কথাও গোপন রাখেননি তিনি।
তা হলে কি সেই ভয়ই সত্যি হল? 'প্রভাবশালী' ফ্র্যাঙ্কোর রোষের শিকার হলেন তিনি? নাকি এই মৃত্যু নিছকই কাকতালীয়? ময়না-তদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে পুলিশ।