দ্য ওয়াল ব্যুরো : উৎসবের মরসুম শেষ। আগামী মাস থেকেই টিভি ও ঘরে প্রয়োজনীয় নানা যন্ত্রপাতির দাম বাড়তে পারে। গত কয়েক মাসে আমেরিকার ডলারের তুলনায় টাকার দাম কমেছে। বেড়েছে শুল্কও। উৎসবের মরসুমে যাতে বিক্রিবাটায় ঘাটতি না হয়, সেজন্য এতদিন দাম বাড়ায়নি কোনও সংস্থা। কিন্তু এর মধ্যে কমেছে লাভের মার্জিন। সেজন্যই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিভিন্ন সংস্থা।
প্যানাসোনিক ইন্ডিয়া ঠিক করেছে, তার পণ্যগুলির দাম সাত শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হবে। প্যানাসোনিক ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং সিইও মনীশ শর্মা জানিয়েছেন, গত কয়েক মাস ধরে আমাদের উৎপাদনের খরচ বেড়েছে। আমরা ক্রেতাদের কথা ভেবে দাম না বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু বাজারের যা অবস্থা তাতে আমরা সামনের মাস থেকে পণ্যের দাম পাঁচ থেকে সাত শতাংশ বাড়াতে বাধ্য হচ্ছি ।
হাইয়ের ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট এরিক ব্রাগাঞ্জা বলেন, ভারতের মানুষ উৎসবের মরসুমেই যথাসাধ্য কেনাকাটা করে। সেকথা ভেবে আমরা ওই সময় দাম বাড়াইনি। আমরা চেয়েছিলাম যাতে পরে দাম বাড়ানো হয়। আমাদের লাভের মার্জিন কমেছে। দাম না বাড়িয়ে উপায় ছিল না।
ভারতে উৎসবের মরসুম শুরু হয় ওনামের সময়। তার পরে আসে দশেরা। দেওয়ালির পরে উৎসবের মরসুম শেষ হয়। সারা বছরে গৃহস্থালিতে ব্যবহারের জন্য যতরকম যন্ত্রপাতি বিক্রি হয়, তার এক তৃতীয়াংশ হয় এই সময়ে। কনজিউমার অ্যান্ড অ্যাপ্ল্যায়েন্সেস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (সিএএএমএ)-র তরফে জানানো হয়েছে, সেপ্টেম্বরেই বিভিন্ন সংস্থা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তিন থেকে চার শতাংশ দাম বাড়ানো হবে। কিন্তু শেষপর্যন্ত বাড়ানো হয়নি।
সিএএএমএ-র প্রেসিডেন্ট কমল নন্দী বলেন, মিনিমাম রিটেল প্রাইস বাড়ানো হয়েছিল সেপ্টেম্বরেই। কিন্তু ওই সময় চাহিদা ছিল তুলনায় কম। প্রতিটি ব্র্যান্ড চাইছিল বাজারে যত বেশি সম্ভব নিজের পণ্য বিক্রি করতে। তাই মুল্যবৃদ্ধি কার্যকর করা যায়নি।