
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 1 March 2025 14:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সব কিছু ঠিক থাকলে আর পেঁয়াজের জন্য পঞ্জাবের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না বাংলাকে। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের তুলনায় এবারে ৫০ লক্ষ টন অতিরিক্ত পেঁযাজ উৎপাদন হতে পারে। মোট পরিমাণ প্রায় ৭ লক্ষ টন।
ইতিমধ্যে মাঠ থেকে নতুন পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। দাম কমার পিছনে রয়েছে আরও একটি সরকারি উদ্যোগ।
নবান্ন সূত্রের খবর, এতদিন সরকারি উদ্যোগে পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোনও ব্যবস্থা ছিল না এ রাজ্যে। ফলে বাড়তি অর্থ খরচ করে বেসরকারি মালিকানায় পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে হত। সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত চার্জও দিতে হত ব্যবসায়ীদের। ফলে বাজারেও পেঁযাজের দাম ঊর্ধ্বমুখী হত।
পরিস্থিতির মোকাবিলায় রাজ্যের ৫ জেলায় পেঁযাজ সংরক্ষণের জন্য বড় ৮টি বড় সংরক্ষাগাণাগার তৈরি করছে রাজ্য। জানা যাচ্ছে, এগুলির কাজ প্রায় শেষের পথে। ১৫ মার্চের মধ্যেই এগুলি চালু হয়ে যাবে। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ও কালনা, হুগলির বলাগড় ও আদিসপ্তগ্রাম, মুর্শিদবাদের নওয়াদা ও সাগরদিঘি, নদিয়ার হাঁসখালি এবং মালদহের গাজোলে তৈরি করা হচ্ছে এই বড় সংরক্ষণাগার। এগুলির একেকটিতে ৪০ টন পেঁয়াজ রাখা যাবে।
এছাড়াও দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদবাদ, মালদহ, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম ও বাঁকুড়াতে মোট ৯১৭টি ছোট সংরক্ষণাগার তৈরি করা হচ্ছে। এগুলির প্রতিটিতে ৯ টন করে পেঁয়াজ রাখা যাবে।
নবান্নের এক কর্তার কথায়, এতদিন পেঁয়াজ সংরক্ষণের সরকারি ব্যবস্থা না থাকায় চাষিরা সমস্যায় পড়তেন। রাজ্যের অতিরিক্ত পেঁযাজ বাইরে চলে যেত। অন্যদিকে অসময়ে বাইরের পেঁয়াজের ভরসায় থাকতে হত। সংরক্ষণাগার চালুর পরে এবার থেকে সেখানেই মজুত করা হবে পেঁয়াজ। ফলে বছরভরই রাজ্যের মানুষের পেঁয়াজের চাহিদা মেটানো যাবে। সেক্ষেত্রে আগের মতো দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাও কম।