Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৩৩ বছর পর মুখোমুখি ইজরায়েল-লেবানন! ওয়াশিংটনের বৈঠকে কি মিলবে যুদ্ধবিরতির সমাধান?ইউরোপের আদালতে ‘গোপনীয়তা’ কবচ পেলেন নীরব মোদী, জটিল হচ্ছে পলাতক ব্যবসায়ীর প্রত্যর্পণ-লড়াইইরানের সঙ্গে সংঘাত এবার শেষের পথে? ইঙ্গিত ভ্যান্সের কথায়, দ্বিতীয় বৈঠকের আগে বড় দাবি ট্রাম্পেরওIPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকের

Prashant Kishor: আপনাকে মানুষ কেন বিশ্বাস করবে? উত্তরে যা বললেন প্রশান্ত কিশোর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার সকালে পাটনায় সাংবাদিক বৈঠক করে প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor) ঘোষণা করেছেন, তিনি এখনই কোনও রাজনৈতিক দল গঠন করছেন না। তবে ২ অক্টোবর থেকে বিহারে জন-সুরাজ যাত্রা (Bihar – Jan Suraj Yatra) শুরু করবেন পিকে (PK)। ৩

Prashant Kishor: আপনাকে মানুষ কেন বিশ্বাস করবে? উত্তরে যা বললেন প্রশান্ত কিশোর

শেষ আপডেট: 5 May 2022 07:55

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার সকালে পাটনায় সাংবাদিক বৈঠক করে প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor) ঘোষণা করেছেন, তিনি এখনই কোনও রাজনৈতিক দল গঠন করছেন না। তবে ২ অক্টোবর থেকে বিহারে জন-সুরাজ যাত্রা (Bihar – Jan Suraj Yatra) শুরু করবেন পিকে (PK)। ৩ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সেই যাত্রার জন্য ইতিমধ্যে ১৭-১৮ হাজার মানুষ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগে রয়েছেন। যাত্রার পর তাঁদের যদি মনে হয় যে একটা রাজনৈতিক দল গঠন করা উচিত, তবেই পার্টি তৈরি হবে।

আরও পড়ুন: বিহারে ৩ হাজার কিলোমিটার পদযাত্রা ঘোষণা প্রশান্ত কিশোরের

প্রশান্তের (Prashant Kishor) এই সাংবাদিক বৈঠকেই তাঁকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করবে কেন? কোনও এক দলে আপনি বেশিদিন টিকতে পারেন না। আপনার মতাদর্শগত স্থিরতা নেই। আপনি নরেন্দ্র মোদীর প্রচারে স্লোগান লেখেন, ‘আবকি বার মোদী সরকার’। তার পর বিহারে লালু-নীতীশের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়েন। আপনি কংগ্রেসের সমালোচনা করেন, আবার সেই কংগ্রেসেই সামিল হওয়ার চেষ্টা করেন। এই প্রশান্ত কিশোরকে কি সত্যিই বিশ্বাস করা যায়!

জবাবে প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor) এদিন বলেছেন, এটা ঠিকই যে গত দশ বছর ধরে আমি যা করেছি, আমাকে তা দিয়েই মানুষ বিচার করবে। তবে আমি এখন মানুষকে বলব, বিহারের সাধারণ জনতার উদ্দেশে বলব যে আমাকে কারও এখন বিশ্বাসযোগ্য নাও মনে হতে পারে। কিন্তু আমাকে একটু সময় দিন। আমার কাজ দেখুন, আমার নিষ্ঠা দেখুন। তার পর দেখুন আমাকে বিশ্বাস করা যায় কিনা।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রশান্ত আরও বলেন, “আমি যে ভোটে জেতাতে পারি সেটুকু তো অন্তত আপনারা স্বীকার করছেন। বাকিটা আমার কাজের মাধ্যমে আমি চেষ্টা করে দেখাব”।

পক্ষকাল আগে কংগ্রেসের সঙ্গে নিবিড় আলোচনায় ব্যস্ত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। কারণ, তাঁর উদ্দেশ্য ছিল কংগ্রেসে যোগ দেওয়া। সে জন্য একটি বিস্তারিত প্রেজেন্টেশনও তৈরি করেছিলেন পিকে। কিন্তু শেষমেশ আলোচনা ভেস্তে যায়। কংগ্রেস সভানেত্রী প্রশান্ত কিশোরকে প্রস্তাব দেন, দলে যোগ দিয়ে কংগ্রেসের ইলেকশন এমপাওয়ার্ড কমিটিতে সামিল হতে। প্রশান্ত তাতে রাজি হননি।

বস্তুত সে সময়েও কংগ্রেসের একাংশ নেতা প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, প্রশান্ত এখন বিভাজনের রাজনীতি নিয়ে মোদী সরকারের সমালোচনা করেন। কিন্তু মোদীর হয়ে যখন চোদ্দর ভোটে প্রচারে নেমেছিলেন পিকে, তখন কি তিনি জানতেন না যে বিজেপি সাম্প্রদায়িক দল। উগ্র ডানপন্থীদের উদ্দেশ্যই হল দেশে ঘৃণার পরিবেশ তৈরি করে ধর্মীয় মেরুকরণ করা। তা ছাড়া বহু রাজ্যে প্রশান্ত কিশোরের আই-প্যাক শাসক দলের সঙ্গে কাজ করছে। সেখানে কংগ্রেস বিরোধী শক্তি। ফলে স্বার্থের সংঘাতের আশঙ্কা তো রয়েছেই।

এ হেন পরিস্থিতিতে প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor) এদিন আই-প্যাকের সঙ্গে তাঁর আপাত দূরত্ব বোঝানোর চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, আই-প্যাক এখন যেখানে পৌঁছেছে তাতে আমাকে ওদের প্রয়োজন নেই। ওখানে অনেক দক্ষ লোক রয়েছেন। তাঁর কথায়, কংগ্রেসের সঙ্গে আমার আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার নির্দিষ্ট কারণ ছিল। কংগ্রেস খুবই গুরুত্ব দিয়ে আমার কথা শুনেছিল। কিন্তু কংগ্রেস একটি পৃথক কমিটি গড়ে তার দায়িত্ব আমাকে নিতে বলে। কংগ্রেসের সংবিধান অনুযায়ী দলের একটি গঠনতন্ত্র রয়েছে। সেখানে নতুন কমিটি গড়ে দায়িত্ব দেওয়া হলে, সেই কমিটির কথা সবাই নাও শুনতে পারে। এতে জটিলতা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে। তাই আমি সবিনয়ে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি।


```