
শেষ আপডেট: 29 April 2020 18:30
এই প্রজেক্টের পড়ুয়ারা জানিয়েছেন, এমন শিল্ড দিয়ে নাক-মুখ ঢাকা থাকলে রেসপিরেটারি ড্রপলেট ঢুকতে পারবে না। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, নাক ও মুখ দিয়েই সবচেয়ে বেশি ভাইরাল স্ট্রেনের শরীরে ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ নাক ও গলার গবলেট কোষকে প্রথম নিশানা বানায় তারা। এমন ফেস-শিল্ড পরে রোগীদের কাছাকাছি যেতেও অসুবিধা হবে না ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মীদের। অ্যাক্সিস ডিফেন্স ল্যাবের মাধ্যমে এই ফেস-শিল্ড গোটা দেশেই পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
আইআইটির ইনকিউবেশন সেলের চিফ একজিকিউটিভ অফিসার ডাক্তার তমস্বতী ঘোষ বলেছেন, “ফেস-শিল্ডের পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় পর্যাপ্ত পরিমাণে পিপিই বানানো হচ্ছে আইআইটির তৈরি ইউনিটগুলিতে। এন৯৫ মাস্ক, ফেস-শিল্ড, পিপিই পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে হাসপাতাল, নার্সিংহোমগুলিতে।” আইআইটি মাদ্রাজের আরও একটি সংযোজন হল ইনটিউবেশন বক্স। চারদিক ঢাকা এমন ট্রান্সপারেন্ট বক্স রোগীর রেসপিরেটারি ড্রপলেট আটকাতে পারে ৯৫%। সংস্পর্শ এড়িয়ে রোগীদের চিকিৎসার জন্য এমন ডিভাইস বানানো হচ্ছে আইআইটিতে।
ডক্টর তমস্বতী ঘোষ বলেছেন, অ্যাক্সিড ডিফেন্স ল্যাবে খুবই সাধারণ উপকরণ দিয়ে এমন ফেস-শিল্ড, ইনটিউবেশন বক্স বানানো চলছে। এক একদিনে পাঁচ হাজার করে হেডগিয়ারও তৈরি হচ্ছে।