
শেষ আপডেট: 3 December 2024 19:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: রাজ্য সরকারের চাপে পিছু হটল প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতি। ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বুধবার থেকে কর্মবিরতি তুলে নিচ্ছেন তাঁরা। অর্থাৎ বুধবার হিমঘর থেকে আলু বের হবে ও বাজারে সরবরাহ করা হবে আগের মতো। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বেচারহাটে আলু ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানালেন তাঁরা।
মঙ্গলবার প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতি কর্মবিরতির ডাক দেওয়ায় সকাল থেকেই বাজারে চড়া দামে আলু বিক্রি হয়েছে। বর্ধমানের পুলিশ লাইন বাজার থেকে স্টেশন বাজার কিংবা নীলপুর বাজার সব জায়গাতেই খোলা বাজারে জ্যোতি আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৬ টাকা কিলো দরে। চন্দ্রমুখী আলু বিক্রি হয় ৪০ টাকা কিলোদরে। বাজারের খুচরো বিক্রেতারা জানান, গতকাল পর্যন্ত তাঁরা আলু বিক্রি করেছেন ৩২ টাকায়। কিন্তু এদিন আলুর জোগান কম।বস্তায় ২০০ টাকা বেশি দামে আলু কিনতে হয়। তাই দাম বেড়েছে।
প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতি আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল বর্ডার না খুললে তারা মঙ্গলবার থেকে কর্মবিরতিতে সামিল হবে। সেই মতো এদিন হিমঘর থেকে আলু বের হয় নি।ব্যবসায়ীদের সমর্থনে এগিয়ে আসেন হিমঘর মালিকরাও। তাই সব হিমঘরেই তালা পড়ে যায়। পূর্ব বর্ধমানের কোনও হিমঘর থেকে কার্যত কোনও আলু বের হয়নি।
খুচরো ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে আলুর জোগান কমে গেছে। প্রতি বস্তায় ২০০ টাকা বেশি দাম দিয়ে আলু কিনতে হচ্ছে। তাই বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ৩৬ টাকা কিলো দরে। চন্দ্রমুখী আলু বিক্রি হচ্ছে ৪০টাকা কিলোদরে।প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির রাজ্য সভাপতি জগবন্ধু মণ্ডল বলেন, "আমরা সাধারণ মানুষের কথা ভেবে কর্মবিরতি তুলে নিচ্ছি। বুধবার রাত থেকে হিমঘর থেকে আলু বের হবে।"
রাজ্য সম্পাদক লালু মুখার্জি জানান, "এই মুহূর্তে রাজ্যের হিমঘরগুলিতে প্রায় ৯ শতাংশ আলু মজুত রয়েছে। যা আলু মজুত আছে তাতে কোনওভাবে আলুর যোগানে টান পড়বে না।"