
শেষ আপডেট: 11 March 2023 10:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীকে চন্দ্রশেখর রাওয়ের কন্যা কে কবিতাকে দিল্লিতে জেরা করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। দিল্লির মদকাণ্ডে তলব করা হয়েছে তাঁকে। এর প্রতিবাদে দিল্লি ও হায়দরাবাদে (Hyderabad) পথে নেমেছে কবিতার দল ভারত রাষ্ট্র সমিতি।
হায়দরাবাদে তাঁদের প্রতিবাদী হোর্ডিং, পোস্টারে জ্বল জ্বল করছে চার বিজেপি (BJP) নেতার ছবি। বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারী, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত (Himanta) বিশ্ব শর্মা ছাড়াও আছে মহারাষ্ট্রের নেতা নারায়ণ রাণে এবং মধ্যপ্রদেশের জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার ছবি।
এই চারজনই অন্যদল থেকে বিজেপিতে এসেছেন। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীকে চন্দ্রশেখর রাওয়ের পার্টি ভারত রাষ্ট্র সমিতি তাদের হোর্ডিং, পোস্টারে এই চার নেতার ছবি দিয়ে বলেছে, রেইড ডিটারজেন্ট অর্থাৎ ইডি, সিবিআইয়ের তল্লাশির পর এঁদের পোশাকের রং বদলে গিয়েছে। পাশেই কবিতার ছবি দিয়ে বলা হয়েছে, তাঁর পোশাকের রং অপরিবর্তিত। অর্থাৎ ইডি, সিবিআইয়ের অভিযানের ভয়ে তিনি বিজেপিতে যাবেন না।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ দেশের আটজন প্রথম সারির বিরোধী নেতা গত রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লেখা চিঠিতে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার গ্রেফতারির প্রতিবাদ জানান। সেই চিঠিতে বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা-সহ বিজেপির একাধিক নেতার নাম করে বলা হয় তাঁরা অন্যদলে থাকার সময় সিবিআই, ইডির মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত চালাচ্ছিল। কিন্তু তাঁরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তদন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক আগেই প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি কি ওয়াশিং মেশিন নাকি ডিটারজেন্ট পাউডার যে ওই দলে যোগ দিলেই সাতখুন মাফ হয়ে যায়!
কেসিআরের পার্টি চিঠির সেই বক্তব্যই তুলে ধরেছে পোস্টার, হোর্ডিংয়ে। রাজনৈতিক মহলের খবর, প্রধানমন্ত্রীকে সেই চিঠি লেখার পিছনে ছিলেন কেসিআর স্বয়ং। চিঠির খসড়া তাঁরই তৈরি। তাতে বাংলার মুকুল রায়ের নামও ছিল। বলা হয় নারদ কাণ্ডে শুভেন্দু, মুকুলদের বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তাঁরা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর। দু’জনেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে গিয়েছেন। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তর নাম জড়িয়েছিল সারদা কাণ্ডে। তখন তিনি কংগ্রেসে ছিলেন।
‘শান্তনুর মতো ছেলে হয় না, ওকে ফাঁসানো হয়েছে’, বলছেন শাশুড়ি