
শেষ আপডেট: 14 August 2023 12:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বন্ধ খামে কি নিছকই সরকারি বা ব্যক্তিগত চিঠি আছে, নাকি দেশের পক্ষে ক্ষতিকর কোনও তথ্য আদানপ্রদান করার জন্য ডাকঘরকে (Post office) ব্যবহার করা হচ্ছে?
আগামী দিনে ডাকঘরের কোনও কর্মীর এই ব্যাপারে সন্দেহ (suspicious letter) দানা বাঁধলে তিনি সেটি খুলে দেখতে পারবেন। পার্সেলের ক্ষেত্রেও এই একই বিধি বলবৎ হবে। তাই-ই শুধু নয়, প্রয়োজনে সন্দেহজনক খাম, পার্সেল পুলিশ বা কোনও নিরাপত্তা বাহিনীর কাছেও পাঠাতে পারবে ডাকঘর কর্তৃপক্ষ।
ডাকঘর সংস্কারে কেন্দ্রীয় সরকার সদ্য সমাপ্ত সংসদ অধিবেশনে নতুন ভারতীয় পোস্ট অফিস আইন চালু করতে যে বিল পেশ করেছে তাতে এই বিধানের উল্লেখ রয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, নাগরিক ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা বলবৎ করা হবে। সেই সঙ্গে শুল্ক ফাঁকিও কমবে। নতুন আইনটি চালুর পর ১৮৯৮ সালের ভারতীয় ডাকঘর আইনের অবসান ঘটবে। যদিও অনেকেই মনে করছেন, জাতীয় সুরক্ষার নামে ব্যক্তিগত অধিকারে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ বলবৎ হবে এরফলে।
এখন বড় ডাকঘরগুলিতে চিঠি, পার্সেল ইত্যাদির বস্তা ডেলিভারির সময় স্ক্যানার মেশিনে চেক করা হয়। কোনও খামে বা পার্সেলে বিস্ফোরক, মাদক ইত্যাদি থাকলে তাতে ধরা পড়ে। দেশে ডাক মারফত এই জাতীয় নিষিদ্ধ বস্তু পাচারের ঘটনা তেমন নেই। তারপরও কেন খাম, পার্সেল খুলে চেক করার বিধান নতুন আইনে রাখা হয়েছে তা স্পষ্ট হয়নি। বিলটি নিয়ে আলোচনা না হওয়ায় ডাক মন্ত্রক এই ব্যাপারে কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি।
আরও পড়ুন: চন্দ্রচূড়ের নামে ‘ফেক নিউজ’, কী রটানো হয়েছে প্রধান বিচারপতির নামে