
শেষ আপডেট: 15 April 2023 12:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বঙ্গবাজারের পর নিউ সুপার মার্কেট। ঈদের মুখে দিন দশেকের ব্যবধানে ঢাকার দুটি বড় বাণিজ্য কেন্দ্রে আগুন লাগার ঘটনা নিয়ে রাজনীতিতে (Political unrest) চাপা পড়ে গিয়েছে বাংলা নববর্ষের আনন্দ। শুক্রবার অপার বাংলায় ধূমধাম করে পালিত হয়েছে ১৪৩০-কে স্বাগত জানানোর নানা আয়োজন। শনিবারও তার রেশ চলছে। এরই মধ্যে শনিবার সকালে রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের জেরে শহরের স্বাভাবিক জনজীবন বিঘ্নিত হয়েছে। কালো ধোঁয়া ছেয়ে যায় শহরের বিস্তীণ এলাকা। অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বিষাক্ত হয়ে ওঠে রাজনীতিও।
গত ক’দিন ধরেই বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধান বিরোধী দল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পার্টি বিএনপির নেতারা অভিযোগ করে আসছিলেন বঙ্গ বাজারের আগুন লাগার পিছনে সরকারি ষড়যন্ত্র ছিল। ওই এলাকা ফাঁকা করে সেখানে শাসক দলের প্রমোটারদের দিয়ে বহুতল বানানোর ছঁক আছে। শনিবার নিউ সুপার মার্কেটের আগুন লাগার পরও বিএনপি নেতারা একই অভিযোগ করলে প্রতি আক্রমণ করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার তাঁর সরকারি বাসভবনে এক দলীয় বৈঠকে আওয়ামী লিগ নেত্রী অতীতে বিএনপির কিছু হামলাবাজির ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, ‘আগুন ধরিয়ে দিয়ে সন্ত্রাস করা ওদের স্বভাব। বাজার দুটিতে আগুন লাগার পিছনে বিএনপি ও জামাক-ই-ইসলামির হাত আছে কিনা তদন্ত করে দেখা দরকার।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশ এটা দেখবে।’ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটিয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট ভিন্ন পথ বেছে নিচ্ছে কি-না তা খতিয়ে দেখা দরকার।’
ঢাকায় বড়মাপের এই মার্কেট দুটিতে আগুন লাগে সকাল ছয়টার আশপাশে। হাসিনা বলেন, বাকি বাজারগুলির দিকেও নজরদারী বাড়াতে হবে।
শেখ হাসিনার অভিযোগ, বিএনপি-জামাত জোট ৩,৫০০টিরও বেশি যানবাহন, ২৯টি ট্রেন এবং ৮/৯টি লঞ্চ, ৫০০ স্কুল, ৭০টি সরকারি অফিস এবং ছয়টি ভূমি অফিস পুড়িয়ে দিয়েছে। তারা ৩ হাজারের বেশি লোক আহত ও ৫শ’ জনকে হত্যা করেছে। প্রধানমন্ত্রী সরাসরি বিএনপির দিকে আঙুল তোলার পর প্রধান বিরোধী দল কী বলে সেটাই এখন দেখার।
ধর্নামঞ্চে নববর্ষ পালন, গণেশ পুজো করে সরকারের ঘুম ভাঙানোর ডাক চাকরিপ্রার্থীদের