
শেষ আপডেট: 5 January 2022 12:29
এদিন কাঁকুড়গাছি মোড়ে ১৯০-১৯৪ মানিকতলা মেন রোডের ঠিকানায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে একাধিক দোকান রয়েছে। মাইক্রো-কন্টেনমেন্ট জ়োনে পুলিশের যে ঘেরাটোপ থাকার কথা, তেমন কিছুও সেখানে চোখে পড়েনি। মোড়ের ট্রাফিক পুলিশ বললেন, 'আমাদের জানানো হয়েছে। কিন্তু গার্ডরেল দেওয়া বা প্রহরী বসানোর দায়িত্ব থানার।'
ফুলবাগান থানার এক আধিকারিকের কথায়, 'ওই দোকানগুলির ওপরের আবাসনে কয়েকজন আক্রান্ত খবর পেয়েছি। তবে কতজন আমরা জানি না। জানার চেষ্টা করছি। বড় এলাকা তাই নিয়ন্ত্রণ করাটা একটু সমস্যা। গার্ডরেল দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।'
১৯০বি বাড়ির লিফটে বাইরে থেকে লোক ঢুকছে-বেরোচ্ছে। কোনও বিধিনিষেধ নেই। গেটের পৌঢ় নিরাপত্তারক্ষী বাসুদেব মুখোপাধ্যায় বললেন, 'কলকাতা পুরসভা বা থানা থেকে কেউ আসেনি। আমরা লোকের কাছে জানতে পেরেছি এখানে করোনা রোগী আছে। এটা কন্টেইনমেন্ট জোন। তবে যাদের ফ্ল্যাটে রোগী আছে, তাঁরা বাইরে বেরোচ্ছেন না।'
১৯৪ নম্বরে আর বি ডায়গনস্টিক। পুরসভার তালিকা অনুযায়ী এই বাড়িটিও কন্টেনমেন্ট এলাকায়। সেখানকার এক কর্মী জানালেন, তাঁরা কিছু জানেন না। বললেন, '১৯৩ বি বাড়িতে তিনতলার ফ্ল্যাটের লোকজন করোনা আক্রান্ত হয়েছে। পুলিশ খোঁজ করছিল। কাউকে না পেয়ে চলে গেছে।'
কলকাতা পুরসভার তরফে জানানো হয়েছিল, মাইক্রো কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে নজরদারি ও বাসিন্দাদের সচেতন করা হবে। লিফট ও আবাসনের সিঁড়ি স্যানিটাইজ করা হবে। কিন্তু তা করা হয়নি বলে জানালেন ১৯০ বি আবাসনের এক বাসিন্দা। বিষয়টিতে কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুব্রত রায়চৌধুরীকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।