
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 18 January 2025 12:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বুধবার আদালত থেকে জেলে ফেরার সময় রাস্তায় শৌচালয় যাওয়ার নাম করে গোয়ালপোখরের পাঞ্জিপাড়ার কাছে পুলিশকে গুলি চালিয়ে পালিয়েছিল বিচারাধিন বন্দি সাজ্জাদ আলম। অবশেষে শুক্রবার রাতে বাংলাদেশ সীমান্তে এনকাউন্টারে মৃত্যু হল সেই অভিযুক্ত পলাতক বন্দির।
পরে পুলিশের তরফে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়া হয়। ইসলামপুর হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ সীমান্তে এনকাউন্টারে গুলিবিদ্ধ এক অভিযুক্তকে পুলিশ এনেছিল। তার মৃত্যু হয়েছে। মৃতর নাম সাজ্জাদ আলম।
পুলিশ সূত্রের খবর, পলাতক বন্দির খোঁজে অন্তত ২০টি টিম তল্লাশিতে নেমেছিল। নজর রাখা হচ্ছিল সিসিটিভিতেও। তারই ভিত্তিতে বাংলাদেশ সীমান্তে সাজ্জাদের গতিবিধি জানতে পারেন তদন্তকারীরা।
সূত্রের দাবি, পুলিশকে দেখে সীমান্ত টপকে পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত বন্দি। এমনকী পুলিশকে লক্ষ্য করে পাল্টা গুলিও চালায়। পুলিশের তরফেও পাল্টা গুলি চালানো হয়। পরে ইসলামপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সাজ্জাদকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। সূত্রের খবর, তিনটি গুলি লাগে সাজ্জাদের দেহে।
ঘটনার সূত্রপাত গত বুধবার। ডাকাতি ও খুনের মামলায় সাজ্জাদকে ইসলামপুর আদালত থেকে জেলে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। রায়গঞ্জের পথে পাঞ্জিপাড়ার কাছে গাড়িতে থাকা দুষ্কৃতী সাজ্জাদ আলম শৌচাগারে যেতে চেয়ে গাড়ি থামাতে বলে। বারবার সে অনুরোধ করতে থাকায় বাধ্য হয়ে গাড়ি থামায় পুলিশ। সাজ্জাদকে গাড়ি থেকে নামাতেই পুলিশকে লক্ষ্য করে ছুটে আসে পরপর গুলি। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন দুই পুলিশ কর্মী নীলকান্ত সরকার ও দেবেন বৈশ্য।
ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার জেলায় পৌঁছে পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বাহিনীর মনোবল বাড়াতে ডিজি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, 'এবার থেকে পুলিশও গুলি চালাবে। দুষ্কৃতী ২ রাউন্ড গুলি চালালে পুলিশ ৪ রাউন্ড গুলি ছুড়বে'।
ডিজির হুঁশিয়ারির পরই অবশেষে পুলিশের কড়া পদক্ষেপ বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।