১৮০ দিন হল দ্বিতীয় মোদী সরকারের, টুইট করলেন প্রধানমন্ত্রী
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার যখন ক্রমেই নিম্নমুখী, তখন তাঁর সরকারের ১৮০ দিন পূর্ণ করা নিয়ে টুইট করলেন প্রধানমন্ত্রী। টুইটে অবশ্য তিনি উল্লেখ করছেন তাঁর সরকারের সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে। শনিবার দ্বিতীয় মোদী সরকারের ১৮০ দিন পূর্ণ হয়
শেষ আপডেট: 30 November 2019 13:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার যখন ক্রমেই নিম্নমুখী, তখন তাঁর সরকারের ১৮০ দিন পূর্ণ করা নিয়ে টুইট করলেন প্রধানমন্ত্রী। টুইটে অবশ্য তিনি উল্লেখ করছেন তাঁর সরকারের সাহসী পদক্ষেপ নিয়ে। শনিবার দ্বিতীয় মোদী সরকারের ১৮০ দিন পূর্ণ হয়েছে।
টুইটে তিনি হ্যাসট্যাগ দিয়েছেন #সিক্সমান্থসঅফইন্ডিয়াফার্স্ট। সেই টুইটে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে সময়ের আরও প্রগতিশীল ও উন্নত ভারত তৈরি হবে।
https://twitter.com/narendramodi/status/1200690864487641088
প্রধানমন্ত্রী তাঁর টুইটে লিখেছেন, ১৩০ কোটি ভারতবাসীর উন্নতিই তাঁর লক্ষ্য। তিনি ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর কথাও উল্লেখ করেছেন তাঁর টুইটে।
দ্বিতীয় দফায় নরেন্দ্র মোদী সরকারের সবচেয়ে সাহসী সিদ্ধান্ত সংবিধান থেকে ৩৭০ ধারা মুছে দেওয়া। এর ফলে জম্মু-কাশ্মীরের ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়। এত দিন জম্মু-কাশ্মীরের আলাদা সংবিধান ছিল। জম্মু-কাশ্মীরকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভেঙেও দেওয়া হয়। তবে এখনও জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এই সিদ্ধান্তের চূড়ান্ত বিরোধিতা করেছে বিজেপির বিরোধী দলগুলি।
সংসদে নতুন করে নাগরিকত্ব সংশোধন বিলও এনেছে সরকার। এই বিল নিয়েও সরকারের বিরোধিতা করা হচ্ছে। মোদী সরকারের নীতি হল সারা দেশে নাগরিক পঞ্জীকরণ করা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মোদী সরকারের এই নীতির বিরোধিতা করছে।
কেন্দ্রে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়লেও, তাদের হাতে থাকা রাজ্যগুলিতে আসন কমেছে বিজেপির – এ ব্যাপারে সর্বশেষ উদাহরণ হল হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে সরকার গড়তে পারেনি বিজেপি।
তবে তার চেয়েও বড় সমস্যা এখন দেশের অর্থনীতি। দেশে ক্রমেই কমছে বৃদ্ধির হার। বিরোধীদের অভিযোগ, সরকার স্বীকারই করছে না এই অবস্থার কথা। তা ছাড়া দেশের ব্যাঙ্কগুলির অবস্থাও ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। সরকারি উড়ান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার এখনই বেসরকারিকরণ না হলে তাকে বসিয়ে দিতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্য রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থার বেসরকারিকরণ করার সিদ্ধান্তও মোটামুটি পাকা। বিরোধীরা চাইছে, আলোচনায় বসুক সরকার।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণের সিদ্ধান্তও ঘোষণা করেছে মোদী সরকার।
দেশে কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধির হার কমেছে, শিল্পোৎপাদনের হারও কমেছে। সব মিলিয়ে দেশে ক্রমেই বৃদ্ধির হার কমছে। অনেকেই এই অবস্থাকে মন্দার সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করেছেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা অর্থনীতিবিদ মনমোহন সিংও দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
২০১৪ সালে কেন্দ্রে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়েছিল বিজেপি, যদিও তাতে সামিল করেছিল এনডিএর অন্য শরিকদের। ২০১৯ সালে আরও বেশি আসন নিয়ে সরকার গড়েছে বিজেপি। অভিযোগ, বিরোধিদের কথায় গুরুত্বই দিচ্ছে না সরকার।